Sayed Ahmad Ra.
কুংফু শিখতেছি,
কারন সামনে পিআর না দিলে এভাবেই ইউনুস গং কে চিচিং পং করতে হবে।
আপনারা জানেন, পিআর পদ্ধত্বিতে ভোট নিয়ে অনেক আলোচনা চলছে। ইসলামী দলগুলো এটা সাপোর্ট করছে, কিন্তু এটা বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য একটা আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত।
অনেকেই অনেক কিছু বলছে, কিন্তু একটা ব্যাপার নিয়ে তেমন আলোচনা হচ্ছে না। সেটা হচ্ছে হিন্দু ভোট। বাংলাদেশে হিন্দু ভোটার প্রায় ৯০ লাখ। এখন পিআর পদ্ধত্বিতে যেকোনো একটা হিন্দু দলকে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে হবে, এতেই তারা মিনিমাম ১৫টা আসন পেয়ে যাবে। মনে রাখা দরকার, এরা কিন্তু লীগ-দলের হিন্দু এমপি না, এরা শুধুই 'হিন্দু' এমপি।
এবার আসুন, বাংলাদেশে এমপিদের আইনি-বেআইনি মিলিয়ে যে পরিমাণ ক্ষমতা, অনেক দেশের প্রেসিডেন্টেরও থাকে না। একজন এমপির ক্ষমতা সর্বোচ্চ সিভিল পদ - সচিবেরও উপরে। এই লোকটাকে কিন্তু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলে প্রচারের দরকার পড়বে না। মুসলমানের ভোট তার লাগবেই না। ফলাফল হবে ভয়াবহ।
টাইমলাইনে অনেকগুলো হিন্দু সংগঠনের পোস্ট দেখলাম যারা পিআর পদ্ধত্বি চাইছে। আর সাথে মনে করিয়ে দিই, বাংলাদেশী হিন্দুদের কিন্তু এখন একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দল আছে, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)। এরা এখন নির্বাচন করলে একটা আসনও পাবে না, কিন্তু পিআর পদ্ধত্বিতে দশটার মত পেয়ে যাবে।
রাস্তায় ২০টা হিন্দু সংগঠন ব্যানার নিয়ে দাড়ালে ইগনোর করতে পারবেন, কিন্তু একজন এমপি বললে সেটা সংবিধানে পর্যন্ত প্রভাব রাখবে। প্রতিটা ইস্যুতে তারা হিন্দুস্বার্থ দেখবে। যেমন, আজকের ভাগওয়া ট্রাপ নিয়ে কাজ করতে যাবেন, সেই হিন্দুর ফোন এমপি পর্যন্ত যাবে। দুতিনটা ঘটনায় ভালোমত ডলা দিলে আর কেউ আগ্রহী হবে?
রাজনীতি চালু হলে নেতা তৈরি হয়। আর একজন প্রশাসনিক ক্ষমতাসম্পন্ন হিন্দু নেতা মানে বোঝেন? চিন্ময়কে দেখুন। সাথে ভারত আর আমাদের মিডিয়াগুল তো রইলো। উত্তরবঙ্গ বা চিটাগংগের আসন পেলে তো মাশাল্লাহ, বাংলাদেশ ভাগ একদম স্পীডরান হয়ে যাবে।
জামায়াত বা ইসলামী আন্দোলনের মত দলগুলোকে দেখে তো এখন আর মনে হয় না তাদের লক্ষ্য ইসলাম। বরং ক্ষমতা। যে পদ্ধত্বিতে একটু ক্ষমতা মেলে তাতেই তারা রাজি হয়ে যান। চরমোনাইদের লীগের অধীনে নির্বাচন, কিংবা এখনকার এই পিআর। যেই আলেমরা একদিন ইউনুসকে সুদখোর বলে আমাদের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলো, আমেরিকার অসন্তষ্টির ভয়ে আজ তারা ইউনুসকে মাথায় তুলে রেখেছেন।
গণতন্ত্র বা ভোট নিয়ে আমার মাথাব্যাথা নেই। কিন্তু একটা সিস্টেমের মাধ্যমে দেশে হিন্দুদের শক্তি ডাবল করে দেওয়ার উপায় করা চলছে, আবার 'ইসলামী' দলগুলো মুসলিম কোপানোর এই সিস্টেম আনতে চাইছে - চুপ থাকা গেলো না।
29/06/2025
ইসলামী দলগুলোর একটা স্বভাব হচ্ছে-
তারা বলে লাত্থি মারতে পারলেই খুশি।
বল তার নিজের গোল পোস্টে ঢুকলো, নাকি শত্রুর গোলপোস্টে ঢুকলো,
সে খেয়াল নাই।
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হইলো বাংলাদেশের হি*ন্দু*ত্ববাদীদের বহু পুরাতন এজন্ডা। হি*ন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, যেই সংগঠন তৈরী করছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র’ বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরোধীতা করতে, তাদের বহুদিনের দাবী হচ্ছে- এই পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন। কারণ এর এই পদ্ধতিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় হি*ন্দু*ত্ববাদীদের সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ আসবে।
আসলে এটা ভারতের অনেক দিনের চাওয়া। ভারত বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হি*ন্দু*ত্ববাদী সংগঠনের মাধ্যম দিয়ে এই দাবী উত্থাপন করে আসছিলো। আজকে অখণ্ড ভা র ত প্রতিষ্ঠার দাবীদার গোবিন্দ প্রামণিক স্পষ্ট করেই বলেছে- পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে তারা ভোট দিতে যাবে না।
মজার বিষয় হলো- আজকে ইসলামী আন্দোলনও একই কথা বলেছে। তবে আমার মনে হয় না, এদের নেতারা পিআর পদ্ধতিতে কার লাভ, কার ক্ষতি সেটা বুঝে। দুই বাচ্চা দুধ খেয়ে লাফায়, আর এরা দুধ না খেয়েই লাফায়।
ইসলামী সংগঠনগুলোর বুঝদার লোকদের বলবো, আপনাদের নেতৃবৃন্দরা কী বক্তব্য দেয়, তা আগেই ঠিক করে নিবেন, নয়ত সাধারণ মানুষ এগুলো দেখে হাসে।
24/06/2025
আমাদের বাড়িতে নিচ তলায় একজন ভাড়াটিয়া আছে যারা নাকি হাসবেন্ড ওয়াইফ দুজনেই চাকরি করে। তাদের দুজন বাচ্চা একজন ছেলে আরেকজন মেয়ে। ওরা দুই ভাই বোন বাসায় একা থাকে সারাদিন।আমি প্রতিদিন ক্যামেরায় ওদের দেখি মূলত ওদের আমি ফলো করি। গেইট দিয়ে আবার বের হয়ে যায় নাকি। ওরা সারাদিন আমাদের বাসার এই গ্যারেজেই বেশিরভাগ সময় থাকে। দুই ভাইবোন খেলে আবার গেইট ধরে অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকে ,আবার সিড়িতে বসে থাকে আবার রুমে যায় আবার আসে। এমন করে ওদের সারাটা দিন কাটে। আমি সারাদিন কাজ করি আর একটু পর পর ওদের দেখি মনিটরে। আমার খুব খারাপ লাগে ওদের জন্য সারাটাদিন কিভাবে একা পাড় করে দুটো বাচ্চা। বোনটা ছোট মাঝে মধ্যে কান্না করে তখন আবার ভাইটা কোলে নেয় বোনকে। হয়তো এই শহরে টিকে থাকার জন্য বাবা মায়ের দুজনের কাজ করতে হয়। এই শহরে আসলে টিকে থাকাও একটা লড়াই।এই জন্য চাইলেও হয়তো মা টা বাসায় বাচ্চা নিয়ে থাকতে পারছে না।
ঠিক এই কারনের জন্য নিজের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা না করে আমি ফুল টাইম মাদার হওয়ার ডিসিশন নিয়েছিলাম। পড়াশোনা শেষ করে যখন দেখলাম আমার সাথের প্রায় সব বান্ধবীরা চাকরি ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছে।ঠিক তখন আমি হয়ে গেলাম একজন ফুল টাইম মাদার। আমার মনে হয়েছিল ক্যারিয়ারের চাইতে আমার জীবনে এখন আমার বাচ্চা বেশি জরুরি।সবাই আমাকে বলেছে এত পড়াশোনা করলা এখন কিছু একটা করো। হাসবেন্ড এর থেকে টাকা চেয়ে নিয়ে শখ পুরন করার চাইতে নিজে কিছু করা ভালো না। আমি সবাইকে একটাই উত্তর দিয়েছি না আমি মা হতে চাই আমার ক্যারিয়ার লাগবে না। এই যে আমার বাচ্চার ছোটবেলার সময়টা আর জীবনে ফিরে আসবে না। বড় হলে ওর আলাদা জগৎ হবে তখন ওর এতটা মায়ের দরকার হবে না। কিন্তু এখন ও এক সেকেন্ড মা ছাড়া থাকতে পারবে না। কয়েক মাস আগেও আমার শ্বশুর বেশ অপমান জনক ভাবে আমাকে বলেছিল পড়াশোনা করে জীবনে কি করছো কয়েক টাকাতো ইনকাম করতে পারো নাই। আমি চুপ হয়ে কোনো উত্তর দেইনি কারন সে আমার স্বামীর বাবা আর আমার শিক্ষায় তাকে উওর দেয়া চলে না। হয়তো অন্য মানুষ হলে আমি দারুন একটি উত্তর দিয়ে দিতাম। যাইহোক এমন আরও হাজার হাজার বার আমি শুনেছি একটা জব করতে পারলাম না কি করলাম জীবনে আমি। আমি যা করেছি তা শুধু আমি জানি। আমি না খেয়ে বাচ্চা সামলেছি ,রাতে না ঘুমিয়ে বাচ্চা পেলেছি ,কুলে নিয়ে রান্না করেছি ,খেতে বসে বার বার উঠেছি পটি ক্লিন করার জন্য ,দু হাত পেতে বমি ধরেছি বাচ্চার। এই যে ছোট ছোট হাত দুটো আমায় এসে জড়িয়ে ধরে সারাদিন আমার সাথে লেপটে থাকে এটাই আমার জীবনের প্রাপ্তি। আমি যদি অফিস করতাম এই বাচ্চাটাই অসহায়ের মত তাকিয়ে থাকতো কখন আমি আসবো ,সঠিক টাইম গোসল করতো না ,হয়তো ময়লা জামা পড়তো বিনিময়ে আমি মাস শেষে কিছু টাকা পেতাম এইতো! যে সব মায়েরা বাচ্চা রেখে জব করে তাদের আমি অনেক সম্মান করি ,নিজের বাচ্চা বুক থেকে রেখে যেয়ে জব করা মুখের কথা না। হ্যাঁ আমার বাচ্চা একদিন বড় হবে আলাদা জগৎ ,বিয়ে করবে সংসার করবে হয়তো এই গুলো মনেও থাকবে না ওর কিন্তু আমি যে ওকে আমার জীবনের পুরোটা সময় দিয়ে বড় করে তুলেছি এটাই আমার জীবনের এচিভমেন্ট।তার জন্য হয়তো দিন শেষে ইনকাম করিনা স্বামীর থেকে চেয়ে নিতে হয়। আমি এটা স্বেচ্ছায় বেছে নিয়েছি। কারন আমি মা হতে চেয়েছিলাম ক্যারিয়ার চাইনি 🙂
ইরানের পক্ষে পোস্ট করার কারণে অনেকে ইনবক্সে কথা শুনাচ্ছে।
দেখেন, ইরান ইজরাল যুদ্ধ আকিদার যুদ্ধ না, এটা একটা ভূরাজনৈতিক যুদ্ধ। এখানে ইরানের পক্ষে থাকতে আকিদা ইস্যু বাধা হবার কারণ নেই।
তবে, রাজনীতির সাথে আকিদা গুলিয়ে ফেলা মানুষের অভাব নেই। ভিডিওটা এসময় পোস্ট করতাম না, কিন্তু মানুষের ভ্রান্তি দেখে মনে হলো পোস্ট করা উচিত।
দেখেন, কিভাবে শিয়াদের তালিম দেয়া হচ্ছে সিদ্দিকে আকবর রাঃ, ফারুকে আজম রাঃ, জিন্নুরাইন রাঃ, আয়েশা রাঃ ও হাফসা রাঃ জাহান্নামি! এখানে আকিদার ঐক্যের জায়গা তো নাই। ইরান শিয়া প্রধান রাষ্ট্র হলেও সেখানে এক কোটির বেশি সুন্নি মুসলমান আছে, কিন্তু তেহরানে একটাও সুন্নি মসজিদ নাই।
যাই হোক, ইজরালের বিপক্ষে যদি কোন কুকুরও ঘেউ ঘেউ করে, তবে আমরা সেই কুকুরের পক্ষে থাকবো। এখানে আকিদা, ধর্ম বা অন্য কোন ইস্যু বাধা হবে না।
বদমাইশ শিয়ারা (ইরান) জানে 2 টা বম ইসরাইল এ মারলে আবাল বাঙ্গুদের সমর্থন পাওয়া যাবে ।
বদমাইশ শিয়ারা (ইরান) ৩ বছরের বাচ্চাকে ওভেনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে 😭
চার লক্ষ সুন্নী মুসলমান হত্যাকারী ইরান।
Click here to claim your Sponsored Listing.