Run With Tamim
এইবার ঠিকাসে না? জাতীয়তাবাদী পর্তুগাল!
29/06/2026
আনচেলত্তি হিমশীতল ও নিঃশেষ খু'নী..
গল্পটা অনেকের পরিচিত, রিয়াল মাদ্রিদ হেরে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে। সিটি ভেবেছিলো জিতে যাবে তারা, তখন তিনি নামিয়েছিলেন রদ্রিগোকে। এরপর সেই কামব্যাকের গল্পই একটা আস্ত মহাকাব্য।
আরেকটা সমজাতীয় গল্প আছে, হোসেলুর আর বায়ার্ন মিউনিখের। বাভারিয়ানরা কি কখনো ভুলবে সেই উপাখ্যান?
এখন আজকেরটায় আসি, গাব্রিয়েল মার্টিন্নেলি জাপানের বিপক্ষে জেতালেন - ব্রাজিল পিছিয়ে থেকে জয় তুলে নিলেন স্টপেজ টাইমে।
এই যে তিনটা গল্প, একটা কমন লিংক। ম্যানেজার কার্লো আনচেলত্তি। তিনি কিভাবে যিনি কামব্যাক করান তার দলকে। নিঃশেষ করেন প্রতিপক্ষকে, তাদের স্বপ্নগুলোকে একটু একটু করে ধ্বংস করেন। শেষ বাঁশি বাজার আগে শেষ হাসিটা ইতালিয়ান ডনেরই হয়। যিনি পুরোটা সময় থাকেন শান্ত বরফের মতো হিমশীতল।
চুইংগাম চিবাতে চিবাতে রদ্রিগো, হোসেলু কিংবা মার্টিন্নেলি কাউকে না কাউকে দিয়ে তিনি ঠিক ম্যাচ বের করে আনেন। কিভাবে করেন, কি তার মন্ত্র সেটা নিয়ে গবেষণা হলেও মন্দ হতো না।
29/06/2026
ব্রাজিল শক্ত বরফে আটকে গেছে, যেমন আটকে গেছিলো টাইটানিক।
কয়েক মিনিট বাকি!
সমতা! কিছুটা ভয়! আর ডেডলক খুলার আপ্রাণ প্রচেষ্টা।
এন্ড্রিকের প্রেস, রায়ানের কাছে বল - খুঁজে নিলেন ব্রুনো গিমারেসকে। কোথায়? ঠিক ডিবক্সের মাঝ বরাবর। জুহুরীর মতো স্ক্যান করলেন, মার্টিনেল্লির মুভমেন্ট ধরে ফেললেন নিমিষেই। একটা পাস, জাপানের বরফ গলে গেলো। ব্রুনো গিমারেস একটা পারফেক্ট সেটআপ করলেন। বাকি কাজটা করলেন আর্সেনাল ফরোয়ার্ড মার্টিন্নেলি। ব্রাজিল প্রথমবারের মতো ম্যাচে এগিয়ে গেলো। আর শেষবারের মতোও। জিতলো সেলেসাওরা। জিতালো জার্সির পিছনে নম্বর ৮!
এই বিশ্বকাপে নিজেকে মেলে ধরেছেন অবিশ্বাস্য ভাবে, টানা তিন ম্যাচে অ্যাসিস্ট। মোট ৪ অ্যাসিস্ট নিয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট প্রোভাইডার। এছাড়া পজিশনিং, বল ডিস্ট্রিবিউশন, ওয়ার্করেট সবকিছুতে ব্রুনোর তুলনা সে নিজেই। এই বিশ্বকাপে ব্রাজিলের যতটুকু মিডফিল্ড আছে সবটুকু তো তারই ক্যারি করা। ব্রুনোর যতদিন উড়াবেন এমন সহযোগিতার পতাকা, উড়বে আনচেলত্তির দল। আর ততই শক্তপোক্ত হবে ব্রাজিলের মিশন..
26/06/2026
আনচেলত্তি যেখানে ব্রাজিলকে এগিয়ে নিয়েছে..
তিতের অধীনের ব্রাজিল আর আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিল - দুইটা দলের একটা স্পষ্ট পার্থক্য কিন্তু চোখ পড়ছে। কার্লোর অধীনে ডিফেন্স যেমন আগের মতো শক্ত রয়েছে - তেমনি ব্রাজিল আক্রমনে হয়েছে ক্ষুরধার যেটা গত বিশ্বকাপে মিসিং ছিলো। নাম বড় বড় ছিলো, তবে কেউ সেভাবে সাইন করে উঠতে পারে নি। তিতের অধীনে ব্রাজিল দল আক্রমনে ধারালো ছিলো না, বড় অস্ত্র ছিলো বটে সেটায় শাণ দিতে পারে নি তৎকালীন কোচ। তবে কার্লো আনচেলত্তি সেটার ব্যালেন্স করেছেন, দারুন ডিফেন্স আর একটা হেভিওয়েট আক্রমনভাগ - টুর্নামেন্টের প্রথম তিন ম্যাচে ৭ গোল!
২০২২ সালে তিতের অধীনে ব্রাজিল গ্রুপপর্বে মোটে গোল করেছিলো তিনটা, এবার দ্বিগুণেরও বেশি। সেবার হেরেছিলোও এক ম্যাচ - অথচ এবার ডমিনেট করেঠে দুই ম্যাচ। প্রথম ম্যাচ ড্রয়ের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে কার্লো আনচেলত্তি ও তার দল। পরিশেষে এটা বলা যায়, আনচেলত্তির অধীনে স্বপ্ন দেখা যায় - ব্রাজিল দল হয়ে খেলছে এবং বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে..
Click here to claim your Sponsored Listing.