Gen Z
07/07/2025
আলেয়াকে বিয়ে করার ২৫ দিনের মাথায় বাহরাইন চলে যাই। বাহরাইনে থাকা অবস্থায় শুনি আলেয়া তার আগের প্রেমিকের সাথে চলে গেছে।
আলেয়াকে আমার মা-বাবা পছন্দ করেছিল। পারিবারিকভাবে বিয়ে হলেও আমি তাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছিলাম। সে-ই ছিল আমার জীবনের প্রথম নারী, আমার প্রথম ভালোবাসা।
আলেয়ার চলে যাওয়ার বিষয়টা আমি মেনে নিতে পারি নি। সেই কষ্টে দীর্ঘ ২২ বছর আর দেশে ফিরি নি। পরবর্তীতে মেডিক্যালে আনফিট হয়ে বাধ্য হয়ে দেশে ফিরতে হয়।
দেশে ফিরে দেখি আমার দীর্ঘ প্রবাসজীবনের অর্জিত অর্থের সব কিছুই মা-বোন-ভাইয়েরা শেষ করে দিয়েছে। চার মাস বাড়ি থাকার পর রাগে-কষ্টে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের হই।
বাড়ি থেকে বের হয়েছি আজ সাড়ে পাঁচ বছর। তারপর থেকে মাজারে থাকি শুধু দুই বেলা ভাত খাওয়ার লোভে। এখন যাচ্ছি চট্টগ্রাম আমানত শাহ মাজারে, শুনেছি এই মাজারে নাকি খাবার পাওয়া যায়।
আজ একুশ দিনে হেটে হেটে চাঁদপুর হাজীগঞ্জ থেকে কুমিল্লা স্টেশনে এসেছি। যাব চট্টগ্রাম আমানত শাহ-এর মাজারে। জীবনের কাছে আমার কোনো চাওয়া নেই, শুধু দুই বেলা ভাত খেতে পারলেই সুখী।
চোখ মুছতে মুছতে কথাগুলো বললেন কাশেম আলী
05/04/2025
সাগর-রুনি হত্যা--অবশেষে সত্য বেরিয়ে আসছে!
সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনির চাঞ্চল্যকর হত্যার জট আস্তে আস্তে খোলা শুরু হয়েছে। কিলিং মিশনে অংশ নেয়া একজনের সাক্ষাৎকারে জানা যায় এই ঘটনা ঘটে শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে। আগে ধারণা করা হয়েছিলো রেন্টাল পাওয়ার নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করাতে সামিট গ্রুপের প্রতিহিংসার শিকার হন সাগর রুনি। এখন মনে হচ্ছে এই অনুমান ভুল। ঘটনার সূত্রপাত একটি সিডি করা নিয়ে। ঘটনাচক্রে সাংবাদিক সাগর রুনি দম্পতির কাছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের একটি চাঞ্চল্যকর ভিডিও হাতে আসে। সেখানে পিলখানায় কারা কারা কিলিং মিশনে অংশগ্রহণ করে তার ভিডিও, পিলখানায় খুনে হাসিনার জড়িতের অডিওর সব ডিটেইল ছিলো সেখানে।
এছাড়াও সাগর রুনির কাছে ইন্ডিয়াকে চোরাই আন্ডার গ্রাউন্ড পথে গ্যাস সাপ্লাইয়ের ভিডিও ফুটেজ ছিল। এই ভিডিওগুলো তারা গোপনে পুরান ঢাকার এক স্টুডিওকে দেয় এটার কয়েক কপি সিডি করার জন্য। কিন্তু স্টুডিওর মালিক এই ভিডিওর গুরুত্ব অনুধাবন করে ফোন দেয় তার পরিচিত ভোলা-৩ আসনের এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে। শাওন এটা জানায় শেখ হাসিনাকে। শেখ হাসিনা প্ল্যান করে সাগর রুনিকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার। এই কিলিং মিশনে অংশ নেয় ইন্ডিয়ান কয়েকজন কিলার ও এমপি শাওনের বিশ্বস্ত কয়েকজন খুনি। তারা মেইন দরজা দিয়ে না ঢুকে বারান্দার গ্রীল কেটে ভিতরে ঢুকে নির্বিঘ্নে খুন করে সাগর রুনিকে। এটা কোন ডাকাতির ঘটনা ছিলো না। এই ঘটনায় বাসার কোন স্বর্নালংকার বা অন্য কিছু খোয়া যায়নি। শুধু সাগর রুনির দুটি ল্যাপটপ হাওয়া হয়ে যায়। এজন্যই খুন হওয়ার পর আসল খুনি! খুনি হাসিনা বলেছিলো-" কারো বেডরুমের নিরাপত্তা দেয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ নয়"।
সিডির ঘটনা ধামাচাপা দিতে সাগর -রুনি ও চট্রগ্রামে আরেকজনসহ মোট ৩ জনকে খুন করে হাসিনা। যে সংবিধান ছুয়ে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় রক্ষক হাসিনা সেখানে নিজেই সে পরিনত হয় দানব এক ভক্ষকে।
এতোদিন জানতাম, ইউনূস আসলে ইউরোপ আমেরিকার লোক।
ঐ হিসেবে চীন রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কথা।
অথচ আজ জানলাম, প্রফেসর সাহেব চীনের কাছের লোকই নন, উনি হাইনান প্রদেশের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ পর্যন্ত করেছেন।
মানে,চিন্তা করেন।
এই দেশে কেউ সামান্য একটা সভাপতি হলে তার হম্বিতম্বিতে থাকা যায় না। অথচ এই লোক চীন সরকারের এডভাইজার ছিলেন,ঐটা আমরা আজ জানলাম।
তাও শফিক ভাইয়ের কথাতে। উনি নিজে কখনোই এসব প্রচার করেন নাই।
আমার এক প্রফেসর বলেছিলো, উনি জাপানে পিএইচডি করার সময় ইউনূস একবার জাপান ভিজিট করেন। জাপানিজরা সাধারণত ছুটি দিতে চায় না। অথচ ঐদিন উইলিংলিই ছুটি দিয়ে বলেছিলো, এতো বড় একজন মানুষ আসতেছে, অবশ্যই তোমার দেখতে যাওয়া উচিত।
দিনশেনে বিএনপির ফজলুর কথাই ঠিক।
ডক্টর ইউনূসকে আমরা যত বড় ভাবি, উনি ততটা বড় মানুষ না।
উনি আসলে আমাদের ভাবনার চাইতেও বড় মানুষ।
এবং এই জেমটাকে আমেরিকা,ইউরোপ, চীন, রাশিয়া ইভেন আফ্রিকা পর্যন্ত কাজে লাগাইছে। অথচ কী পোড়া কপাল জাতি আমরা, আমরাই এই মানুষটাকে নিজেদের জন্য কাজে লাগাতে পারি নাই।
Click here to claim your Sponsored Listing.