Writer Radha Rani Biswas

Writer Radha Rani Biswas

Share

06/06/2026

#পেশাদারিত্ব বনাম স্মার্টনেস
বিশ্বের সব দেশে সব পেশার মানুষ আছে।আমাদের দেশেও আছে। পেশাগত স্মার্টনেস সব লোকের থাকে না। আপনার কর্মক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা, উপস্থিত
বুদ্ধিমত্তা, উর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রতি সস্মান প্রদর্শন, অধিনস্তদের কাজে উৎসাহিত করা,পরিপাটি পোশাক বা ইউনিফর্ম পরিধান করা, আমি মনে করি এটি একটি আর্ট। যা সবাই বহন করতে পারে না। নিজের দায়িত্ব যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করা, সবার সাথে অফিশিয়াল প্রটোকল মেনে সুসম্পর্ক বজায় রাখা উচিত। যে কোন জটিল পরিস্থিতিতে দ্রুত ইতিবাচক এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাটা সক্ষম পেশাদারিত্ব। সবার প্রতি মার্জিত আচরণ করা, কোন সমস্যা সমাধানে সুস্পষ্ট ও গুছিয়ে কথা বলা,অফিসের নিয়ম নীতিকে সন্মানের সাথে গ্রহন ও পালন করা ইত্যাদি ইত্যাদিকেই আসলে পেশাদারিত্বের স্মার্টনেস বলে। যে কোন প্রতিষ্ঠানে যথাযথ ভাবে সময়ানুবর্তিতা পালনে বাধ্য থাকা ও চলাফেরার সময় বডি লেঙ্গুয়েজ ঠিক রাখা পেশাদারিত্বেরই অংশ। সবগুলো গুন থাকাই বাঞ্চনীয়। তবে সব আয়ত্তে না থাকলেও বেশির ভাগ থাকা উচিত বলে মনে করি। প্রিয় পাঠক আপনরাও কি তাই মনে করেন?

আমাদের দেশের প্রায় সব পেশাতেই কিছু সংখ্যক মানুষ আছে যারা অযথা স্নায়ু যুদ্ধ করে। মূল দায়িত্ব, কর্তব্য,সততা আর নৈতিকতা থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে। অনৈতিকতার বেড়াজালে জড়িয়ে নিজের আত্নসন্মান বিসর্জন দেয়। অসাধু কার্যকলাপে সক্রিয় হয়। সম্ভাবনাময় সাফল্যও তখন বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে আত্নগোপনে যায়। তখন কাজের প্রতি অবহেলা,জুলুম, পরচর্চা পরনিন্দা বেড়ে যায়।মহিলাদের মধ্যে এটি বেশি পরিলক্ষিত হয়। পুরুষরাও পিছিয়ে নেই। শুধু সমালোচনা চর্চার ধরনটি ভিন্ন।

আমি নার্সিং পেশার সাথে জড়িত। এই পেশায় এটি বেশি হয়। অন্য পেশার কথা জানিনা। যারা এগুলো করে, সেই শ্রেণির মানুষগুলো কাজের চেয়ে গন্ডগোল পাকায় বেশি। কারন তারা কাজের চেয়ে গল্প করতে পছন্দ করে। যদিও এই সংখ্যাটি নিত্যান্তই কম। তাতে কি!এই অল্প সংখ্যক মানুষগুলোর কৃত্রিম অভিযোগ করে জেতার আপ্রাণ প্রচেষ্টা পেশার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়।প্রায়ই দেখা যায় অন্যায় করে বিচার চাইতেও তারা সামনের সারিতেই তৎপর থাকে। বাংলা সিনেমার বাঙালি শাশুড়ি চরিত্রের মতো কলিগদের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়েও গ্রুপিং এ লিপ্ত হয়। গঠনমূলক কোন কাজে তাদের পাওয়া না গেলেও, অকাজে আগ্রহ থাকে বেশি।
কারো ভালোর প্রসংশায় তাদের অন্তর্দহন হয়।এই প্রশংসা করতে পারাটাও কিন্তু পেশাদারিত্বের স্মার্টনেস।
বিপদগামী মানুষগুলোর হাসির পিছনেও অন্তর পোড়া গন্ধের তৃষ্ণার আর্তনাত টের পাওয়া মাঝে মাঝে। তাদের বিবেক বির্বজিত এ হেন কর্মকান্ডে পেশার সন্মান নষ্ট হয় সেদিকে তারা ভ্রুক্ষেপহীন।

"আসুন আবেগি না হয়ে বিবেক জাগ্রত করি।নিজ পেশায় দক্ষতা বৃদ্ধি করি। মানবিক গুণাবলী অর্জন করি।মানুষ উপকৃত হোক। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবদান রেখে সুগঠিত জাতি গঠনে সহায়তা করি।"
(৬/৬/২০২৬ইং)

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka