Urbanist Choice
10/10/2024
বিয়ের পোশাক হিসেবে সাদা রঙের ব্যবহার আমরা সম্পর্কে আমরা সবাই-ই জানি,কিন্তু বিয়েতে সাদা পোশাকের প্রথার ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না,
চলুন আজ জেনে সাদা বিয়ের পোশাকের ইতিহাস :
সাদা বিয়ের পোশাকের প্রথার ইতিহাস প্রধানত ১৯শ শতাব্দীর ইংল্যান্ডের রানী ভিক্টোরিয়ার সাথে সম্পর্কিত। ১৮৪০ সালে, তিনি প্রিন্স অ্যালবার্টের সাথে বিয়ে করার সময় একটি সাদা গাউন পরিধান করেছিলেন, যা ঐতিহাসিকভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তখনকার সময়ে সাদা রঙকে সাধারণত শোকের রঙ হিসেবে বিবেচনা করা হতো, তবে রানী ভিক্টোরিয়া তার বিয়েতে সাদা রঙের পোশাক পরে একটি নতুন ধারা প্রবর্তন করেন। তার পরে ধনী মহিলারা তাকে অনুসরণ করতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে এটি পশ্চিমা সংস্কৃতিতে বিয়ের পোশাকের প্রতীক হয়ে ওঠে।
বিয়েতে সাদা পোশাকের সাথে পবিত্রতা, বিশুদ্ধতা এবং নতুন সূচনার ভাবার্থও জড়িয়ে আছে। যদিও অন্যান্য সংস্কৃতিতে বিয়ের পোশাকের রঙ বিভিন্ন হয় (যেমন ভারতীয় উপমহাদেশে লাল রঙের প্রথা প্রচলিত), পশ্চিমা সমাজে সাদা বিয়ের পোশাক ব্যাপকভাবে গৃহীত হয় এবং বিংশ শতাব্দীতে এটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে।
রেডিমেড ফ্যাশনের অজানা ইতিহাস-
১৯০০-এর দশকের শুরুতে রেডি-টু-ওয়্যার পোশাক মূলত পুরুষদের পোশাকের ক্ষেত্রে বেশি প্রচলিত ছিল। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্যাশন আরও ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, এবং নারী পোশাকের ক্ষেত্রেও রেডি-টু-ওয়্যার জনপ্রিয় হতে শুরু করে।
১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশক:
এই সময়ে, রেডি-টু-ওয়্যার ফ্যাশন আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ক্রিস্টিয়ান ডিওর এবং ইভ সাঁ লোরাঁর মতো বিখ্যাত ডিজাইনাররা এই ধরণের পোশাককে তাদের ফ্যাশন লাইনগুলির অংশ করে তোলেন। বিশেষ করে সাঁ লোরাঁ ১৯৬৬ সালে "Rive Gauche" নামে তার রেডি-টু-ওয়্যার কালেকশন প্রকাশ করেন, যা এই ধারাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি এনে দেয়।
১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশক:
এই সময়ে, রেডি-টু-ওয়্যার ফ্যাশন মূলধারার অংশ হয়ে ওঠে। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতাদের কাছে এটি সহজলভ্য হয়, কারণ এই পোশাকগুলি উচ্চমানের হলেও কাস্টম-মেড পোশাকের তুলনায় কম দামে বিক্রি হতো।
04/10/2024
বর্ষাকালে লাইফস্টাইল কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, তবে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে আপনি এই মৌসুমেও স্টাইলিশ এবং আরামদায়ক থাকতে পারেন।
১. শরীরের যত্ন: বর্ষাকালে ত্বকের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে, তাই নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখা এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি।
২. খাবার এবং পানীয়: এই সময়ে হালকা, স্বাস্থ্যকর খাবার খান এবং প্রচুর পানি পান করুন। বিশেষ করে ভাজা-পোড়া এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
৩. ইনডোর অ্যাক্টিভিটি: যদি বাইরে যাওয়ার সুযোগ না থাকে, তাহলে ইনডোর হবি যেমন বই পড়া, সিনেমা দেখা, বা ঘরে হালকা ব্যায়াম করতে পারেন।
৪. মশা থেকে সুরক্ষা: বর্ষাকালে মশার উপদ্রব বেড়ে যায়, তাই মশারি বা মশারোধক স্প্রে ব্যবহার করতে ভুলবেন না।
৫. গৃহসজ্জা: বাড়ির ভেতর স্যাঁতসেঁতে ভাব এড়াতে বাড়ি পরিষ্কার রাখুন এবং দরকার হলে ডিহিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন।
এই টিপসগুলো অনুসরণ করলে বর্ষাকালে আপনি যেমন ফ্যাশনেবল থাকবেন, তেমনই আপনার স্বাস্থ্যেরও ভালো যত্ন নিতে পারবেন।
゚viralシ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
Dhaka
1000