Atanu Sarker
Excellent
Billionaires View Experience Luxury With Nature
19/11/2025
আমি শৈত্যপ্রবাহ পরশ বলছিলাম, আমি একটি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।
আমি তোমাদের দেশে আসার জন্য অপেক্ষা করছি।
সহজে তোমাদের দেশের আসার টিকিট পাচ্ছিনা।
তারপরও টিকিট কাউন্টার থেকে বলল ডিসেম্বর মাসের ৭ তারিখ, ৯ তারিখ আর ১২ তারিখে নাকি ছিট খালি আছে, এর ভেতরে যেকোনো এক দিন টিকিট কেটে তোমাদের দেশে আসা যাবে।
আমারও তো একটা প্রস্তুতি আছে, হুট করে তো আর চলে আসা যায়না।
দেখি যদি সব কাজ শেষ করতে পারি তাহলে আগামী ৭ ই ডিসেম্বর তোমাদের দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিবো, আর ঝামেলা হলে ১২ ই ডিসেম্বর রওনা দিবো।
তোমাদের দেশে এসে ১ দিন বিশ্রাম নিয়ে আমার কাজ হবে রাজশাহী রংপুর বিভাগে অবস্থান করা।
তা আমি তেঁতুলিয়া, শ্রীমঙ্গল আর চুয়াডাঙ্গা আমার ঘাটি বানাবো, তারপর এক এক করে তোমাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে আমার প্রভাব বিস্তার করবো।
এখন আমার অনেক কাজ, কুয়াশাবেল্ট কে মেনেজ করতে হবে, তারপর শক্তিশালী উত্তর পশ্চিমা বাতাসকেও মেনেজ করতে হবে।
আমার সবচেয়ে শক্তিশালী ভাই তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিমেল এর সাথে কিছুতেই যোগাযোগ করতে পারছি না। গতবছর তাকে এদেশে আনতেই পারিনি, ওর এক কথা বাংলাদেশে নাকি তার জন্য গতবছর উপযুক্ত পরিবেশ ছিলোনা।
আর এইবছর তো ওকে পাচ্ছিই না, কোথায় গেলো কে যানে।
যাহোক সমস্যা নেই, আগে আমি এসে পরিবেশ কিছুটা ঠান্ডা তো করি, তারপর দেখা যাবে কি হয়।
তবে আমি নিয়ম অনুযায়ী তোমাদের দেশের উপকূলীয় এলাকায় আসছি না আর ঢাকা, কক্সবাজার জেলায় আসছি না।
যেহেতু আমি ঘাটি বানাচ্ছি চুয়াডাঙ্গা তেঁতুলিয়া, আর শ্রীমঙ্গল, সুতরাং ওর আশেপাশেই আমাকে বেশি পাওয়া যাবে।
চুয়াডাঙ্গা আমার যেমন পছন্দ, তেমনি আমার চরম শত্রু তাপপ্রবাহের ও সেইরকম পছন্দের একটি এলাকা, আসলে চুয়াডাঙ্গা আমাদের থাকার জন্য একদম ১০০% পারফেক্ট, কি বলেন চুয়াডাঙ্গা এর মানুষেরা??
Bwot
15/06/2025
কৃষক ভাইদের জন্য আবহাওয়ার পূর্ভাবাস।
****************************************
১৫,১৮,২০,২২, ২৭ জুন দেওপাড়া ইউনিয়নে আকাশ মেঘলাসহ ☁ আকষ্মিক দমকা হাওয়াসহ ঝড় ও বজ্র বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
১৫,১৬,১৯,২১,২৩,২৪, ২৫,২৬,২৮ জুন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম। তবে মাঝে মাঝে আকাশ আংশিকভাবে মেঘলা/ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। রাতের ও দিনের তাপমাত্রা হ্রাস/ বৃদ্ধি পেতে পারে।
তবে কোথাও কোথাও আকষ্মিক ভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ২৪ ঘণ্টায় জেলার অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়ার অবস্থার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে নিম্নলিখিত কৃষি আবহাওয়া পরামর্শ প্রদান করা হলো:
আউশ ধানঃ
জমিতে প্রয়োজনীয় পানির স্তর বজায় রাখুন।
ব্লাস্ট রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য রোগের প্রাথমিক অবস্থায় ট্রুপার/নেটিভো/জিল নামক ছত্রাকনাশক অনুমোদিত মাত্রায় প্রয়োগ করুন।
মাজরা পোকার আক্রমণ দেখা দিলে ডিমের গাদা সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেলুন, আলোকফাঁদ ব্যবহার করুন, আক্রমণ বেশি হলে অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করুন।
পাতা মোড়ানো পোকা দমনে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করুন ও জমিতে পার্চিং করুন। ইউরিয়া সারের অতিরিক্ত ব্যবহার পরিহার করুন। শতকরা ২৫ ভাগ পাতা ক্ষতিগ্রস্থ হলে সেভিন ৮৫ এসপি, ডার্সবান ২০ ইসি অথবা মিপসিন ৭৫ ডব্লিউপি এর যে কোন একটি অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করুন।
থ্রিপস পোকার আক্রমণ দেখা দিলে আক্রান্ত জমিতে নাইট্রোজেন জাতীয় সার ব্যবহার করুন। আক্রমণ বেশি হলে হেক্টরপ্রতি ১.১২ লিটার ম্যালাথিয়ন অথবা ১.৭ কেজি কার্বারিল অথবা ১.১২ কেজি আইসোপ্রোকার্ব/এমআইপিসি প্রয়োগ করুন।
সবজি:
প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা সেচ প্রয়োগ করুন।
বেগুনে ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ দেখা দিলে কীড়াসহ আক্রান্ত ডগা কেটে ধ্বংস করুন। ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে পোকার বংশবৃদ্ধি অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভাব। একান্ত প্রয়োজনে কেবল মাত্র পরিমিত মাত্রায় নির্দিষ্ট ক্ষমতা সম্পন্ন রাসায়নিক কীটনাশক অথবা স্থানীয়ভাবে সুপারিশকৃত জৈব কীটনাশক ব্যবহার করুন।
কুমড়া জাতীয় সবজিতে মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিলে ফেরোমন ও বিষটোপ ফাঁদের যৌথ ব্যবহার করুন। আলফা সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের বালাইনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।
লাউ জাতীয় সবজিতে পাউডারি মিলডিউ দেখা দিলে হেক্সাকোনাজল অথবা মেনকোজেব প্রয়োগ করুন।
শিম ও বাঁধাকপিতে জাব পোকার আক্রমণ দেখা দিলে ক্লোরপাইরিফস গ্রুপের বালাইনাশক অনুমোদিত মাত্রায় ব্যবহার করুন।
মরিচে থ্রিপস পোকার আক্রমণ দেখা দিলে আঠালো সাদা ফাঁদ (প্রতি হেক্টরে ৪০ টি) ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আক্রমণ বেশি হলে ফিপ্রোনিল বা ডাইমেথয়েট ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি হারে স্প্রে করা যেতে পারে।
উদ্যান ফসল:
ফল বাগানের আন্ত:পরিচর্যা করতে হবে।
আমের বিভিন্ন পর্যায়ে শোষক পোকা (হপার) এবং এনথ্রাকনোজ রোগের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। মুকুল আসার সময় আক্রমণ হলে ফুল ঝরে যায়। দমনের জন্য মুকুল আসার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে প্রতি লিটার পানিতে সাইপারমেথ্রিন (রিপকর্ড/সিমবুশ/ফেনম/বাসাথ্রিন) ১০ ইসি ১ মিলি এবং টিল্ট ২৫০ ইসি ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে একবার এবং তার একমাস পর আরেকবার গাছের পাতা, মুকুল ও ডালপালা ভালভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।
কলাগাছের পাতায় সিগাটোকা রোগের লক্ষণ দেখা দিলে প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি স্কোর অথবা ২ গ্রাম নোইন বা ব্যাভিস্টিন অথবা ০.১ মিলি একোনাজল/ফলিকোর মিশিয়ে ১৫-২০ দিন অন্তর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।
কলার বিটল পোকার আক্রমণ দেখা দিলে আইসোপ্রোকার্ব (এমআইপিসি) গ্রুপের বালাইনাশক প্রয়োগ করুন।
নারিকেলের মাকড় দমনের জন্য আক্রান্ত গাছের কচি ডাব কেটে পুড়িয়ে ফেলে গাছে মাকড়নাশক প্রয়োগ করতে হবে। এর সাথে আশেপাশের কম বয়সী গাছের কচি পাতাতেও মাকড়নাশক প্রয়োগ করতে হবে।
পেয়ারায় মিলিবাগের আক্রমণ হলে অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করুন। প্রতি লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে গুড়া সাবান মিশিয়ে স্প্রে করেও এ পোকা দমন করা যায়।
পেয়ারায় ফলের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ প্রদান করুন।
গবাদি পশু:
গবাদি পশুকে খড়ের পাশাপাশি ঘাস, পাতা বা দানাদার খাদ্য বিশেষ করে খৈল ও ডালের ভূষি দিতে হবে।
রোগ প্রতিরোধে গবাদি পশুকে নিয়মিত টীকা দিন।
গবাদি পশুর ঘর শুকনা ও পরিষ্কার রাখুন।
ঠাণ্ডা প্রতিরোধে মেঝেতে বিচালি এবং বাতাস থেকে রক্ষার জন্য কালো পলিথিন বা বস্তা গোয়াল ঘরের চারপাশে ব্যবহার করা যেতে পারে।
হাঁস মুরগী:
রোগ প্রতিরোধে হাঁস মুরগীকে নিয়মিত টীকা দিন।
হাঁসমুরগীর ঘর শুকনা ও পরিষ্কার রাখুন।
বাতাস থেকে রক্ষার জন্য কালো পলিথিন বা বস্তা খোয়াড়ের চারপাশে ব্যবহার করা যেতে পারে।
মৎস্য:
বিক্রির উপযোগী বড় মাছ ধরে বিক্রি করুন।
সকল প্রকার সার প্রয়োগ বন্ধ রাখুন ও খাদ্য প্রয়োগ কমিয়ে দিন।
পুকুর পাড়ের ডালপালা ও আগাছা পরিস্কার করে পুকুরে পর্যাপ্ত রোদের ব্যবস্থা করুন।
নতুন করে মাছ মজুদ করা ও অন্য পুকুর বা বিলের পানি প্রবেশ করানো থেকে বিরত থাকুন।
পিএইচ মান ও পানির গভীরতা অনুযায়ী শতাংশ প্রতি ৩০০-৫০০ গ্রাম চুন ও লবণ প্রয়োগ করুন।
যথাসম্ভব ভাসমান খাদ্য প্রয়োগ করুন।
প্রয়োজন ছাড়া জাল টানা যাবে না। প্রয়োজনে জাল কড়া রোদে শুকিয়ে/জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করুন।
তথ্য সূত্র ঃ বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ঢাকা।
15/06/2025
আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন। তাই গাছে গাছে ফুটেছে কদম। ঋতুর পালা বদলে আবার এসেছে আষাঢ় মাস। আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন। তাই গাছে গাছে ...
Click here to claim your Sponsored Listing.