Zzz Tech

Zzz Tech

Share

24/05/2026

মু’তার যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগময় ঘটনা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ ৮ হিজরিতে প্রায় ৩০০০ সাহাবির একটি বাহিনী প্রেরণ করেন মু’তা অঞ্চলে (বর্তমান জর্ডান এলাকায়)। কারণ, মুসলিম দূতকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছিল, যা ছিল চুক্তি ভঙ্গের গুরুতর অপরাধ। এই বাহিনীর নেতৃত্ব ধারাবাহিকভাবে তিনজন সাহাবির হাতে ছিল:-

প্রথমে যায়েদ ইবনে হারিসা
এরপর জাফর ইবনে আবু তালিব
এবং পরে আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা

রাসূল ﷺ নির্দেশ দিয়েছিলেন,যদি একজন শহীদ হন, তবে পরবর্তীজন নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। মুসলিম বাহিনী সেখানে পৌঁছে দেখে বিপরীতে রোমান ও তাদের মিত্রদের বিশাল সেনাবাহিনী। সংখ্যায় মুসলমানরা খুবই কম ছিল, কিন্তু তাদের ঈমান ছিল পাহাড়ের মতো দৃঢ়।

প্রথমে যায়েদ ইবনে হারিসা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন। তিনি ঘোড়া থেকে নেমে যুদ্ধ শুরু করেন, যেন কেউ মনে না করে তিনি পালাচ্ছেন। তিনি ইসলামের পতাকা শক্ত করে হাতে ধরেন। শত্রুর আঘাতে তাঁর ডান হাত কেটে যায়। তিনি সাথে সাথে বাম হাতে পতাকা তুলে নেন। এরপর বাম হাতও কেটে ফেলা হয়।
তবুও তিনি পতাকা মাটিতে পড়তে দেননি।
তিনি নিজের বুক ও শরীর দিয়ে পতাকাকে আঁকড়ে ধরে রাখেন। অবশেষে তিনি অসংখ্য আঘাতে শহীদ হন।

মদিনায় বসেই রাসূলুল্লাহ ﷺ আল্লাহর পক্ষ থেকে যুদ্ধের খবর পান। তিনি সাহাবিদের জানান, যায়েদ শহীদ হয়েছেন, তারপর জাফর শহীদ হয়েছেন, এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা শহীদ হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তাঁকে জান্নাতে দুই ডানা দিয়েছেন এবং তিনি সেখানে উড়ছেন। এজন্য তাঁকে “জাফর আত-তাইয়ার” (ডানাওয়ালা জাফর) বলা হয়।

মু’তার যুদ্ধের গল্প শুধু ইতিহাস নয়, এটা জীবনের জন্য এক নীরব অনুপ্রেরণা। হজরত জাফর ইবনে আবু তালিব আমাদের শেখান:-

একজন মানুষ কতটা দৃঢ় হতে পারে, যখন সে তার বিশ্বাসকে ভালোবাসে। দুটি হাত হারানোর পরও তিনি পতাকা ছাড়েননি। কারণ তার কাছে পতাকা শুধু কাপড় ছিল না, এটা ছিল সত্য, দায়িত্ব আর আদর্শের প্রতীক।

>দায়িত্ব যাই হোক, মাঝপথে ছেড়ে দিও না
>চাপ এলে ভেঙে পড়ো না, শক্ত থাকো
>সত্য ও নীতির সাথে আপস করো না
>লক্ষ্য বড় হলে কষ্ট ছোট মনে হয়

জীবনে অনেক সময় আমরা ছোট সমস্যায় থেমে যাই। “যে মানুষ নিজের বিশ্বাস ধরে রাখতে পারে, সে কখনো হেরে যায় না।” জাফর ইবনে আবু তালিব–এর জীবন আমাদের জন্য একটি বার্তা: সত্যের পথে দাঁড়িয়ে থাকাই আসল শক্তি।
Collected.......

19/05/2026

একজন বাস্তব জগতের হিরো, আব্দুল্লাহ আমিন। ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়েগো মসজিদের সিকিউরিটি গার্ড। গতকাল বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা মসজিদে আক্রমণ করলে তাদেরকে বাধা দিতে গিয়ে শহিদ হন আব্দুল্লাহ আমিন।

মৃত্যুর কয়েকদিন আগে দেওয়া আবদুল্লাহ আমিনের সর্বশেষ ফেসবুক পোস্টটা হয়তো তার মানসিকতা সম্পর্কে আমাদেরকে একটা ধারণা দিতে পারে। তার পোস্টটার অনুবাদ:

//সাফল্য কী? অনেক মানুষের কাছে সাফল্য হলো আর্থিক স্থিতিশীলতা, সুখ্যাতি বা সৌন্দর্য।

কিন্তু আমার কাছে?

ওয়াল্লাহি, সুম্মা ওয়াল্লাহি, আমার কাছে সাফল্য হলো আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে ঠিক সেই পবিত্র আত্মাটি নিয়ে ফিরে যাওয়া, যা তিনি আমাদের জন্মের সময় আমানত হিসেবে দিয়েছিলেন।

আমার কাছে সাফল্য হলো আল্লাহ তাআলার ফেরেশতাগণের কাছ থেকে এই কথাগুলো শুনতে পাওয়া: "তোমরা ভয় পেও না এবং চিন্তিত হয়ো না; বরং সেই জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ করো, যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের পরম ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু আল্লাহ দিয়েছিলেন।"

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে 'হুসনুল খাতিমাহ' (উত্তম সমাপ্তি) নসিব করুন, আমিন।//

সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ আব্দুল্লাহ আমিনকে শহিদ হিসেবে কবুল করে নিক। তাকে তার কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দিক। আমিন।
Collected................

18/05/2026
15/05/2026

জিলহজের প্রথম ১০ দিন: সন্তানের জন্য দুআ

একজন মায়ের নীরব শক্তি

আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আবারও এমন এক সময়ের সাক্ষী হচ্ছি, যা আল্লাহর কাছে বছরের সবচেয়ে প্রিয় সময়গুলোর একটি পবিত্র জিলহজের প্রথম ১০ দিন। এই দিনগুলো আমাদের জন্য শুধু কিছু আমল বাড়ানোর সুযোগ নয়, বরং আমাদের হৃদয়ের গভীর চাওয়াগুলো আল্লাহর কাছে তুলে ধরার এক অপূর্ব সময়। বিশেষ করে আমরা যারা মা-বাবা, আমাদের জন্য এই সময়ের সবচেয়ে সুন্দর আমলগুলোর একটি হলো আমাদের সন্তানদের জন্য দুআ করা।

আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য অনেক কিছু করি।তাদের ভালো খাবার দেই, ভালো পরিবেশে রাখার চেষ্টা করি, তাদের শিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। কিন্তু এর সবকিছুর মাঝেও একটি জিনিস আছে, যা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে সেটা হলো আমাদের দুআ। কারণ আমরা হয়তো সবসময় তাদের সাথে থাকতে পারবো না, কিন্তু আমাদের দুআ সবসময় তাদেরকে ঘিরে রাখতে পারে, তাদেরকে হেফাজত করতে পারে, তাদের জীবনের পথকে আলোকিত করতে পারে।

এই বরকতময় দিনগুলোতে আমার হৃদয়ের দুআ

ইয়া আল্লাহ, আমার সন্তানদের অন্তরকে পবিত্র করুন, তাদের ঈমানকে দৃঢ় করুন এবং তাদের জীবনকে আপনার সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করুন। তারা যেন এমন মানুষ হয়, যারা সত্যকে ভালোবাসে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে এবং সবসময় আপনার ভয় ও ভালোবাসাকে নিজেদের জীবনের কেন্দ্রস্থলে রাখে। তাদেরকে এমনভাবে গড়ে তুলুন যেন তারা শক্ত হয় কিন্তু অহংকারী না হয়, নম্র হয় কিন্তু দুর্বল না হয়, সাহসী হয় কিন্তু সীমা লঙ্ঘন না করে।

আমার ছেলেদের জন্য দুআ

ইয়া আল্লাহ, তাদেরকে দায়িত্বশীল, সৎ ও তাকওয়াবান পুরুষ হিসেবে গড়ে তুলুন। তাদের চোখ, অন্তর ও চরিত্রকে সব ধরনের ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। তাদেরকে এমন শক্তি দিন, যাতে তারা নিজেদের প্রবৃত্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে এবং সবসময় হালালকে বেছে নিতে পারে। তাদের জীবনে নেক বন্ধু, ভালো পরিবেশ এবং পবিত্র সম্পর্ক দান করুন।

আমার কন্যাদের জন্য দুআ

ইয়া আল্লাহ, তাদের বড় হওয়ার প্রতিটি ধাপকে সহজ করুন, তাদের অন্তরে হায়া, প্রজ্ঞা ও আত্মসম্মান দান করুন। তারা যেন নিজেদের মর্যাদা বুঝে, নিজেদের সুরক্ষিত রাখে এবং দ্বীনের উপর দৃঢ় থাকে। তাদেরকে এমন নারী হিসেবে গড়ে তুলুন, যারা নিজেরা আলো হয়ে অন্যদের পথ দেখায়, যারা তাদের চরিত্র ও আচরণ দিয়ে দীনকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে।

একজন মা হিসেবে নিজের জন্যও দুআ

ইয়া আল্লাহ, আমাকে ধৈর্য দিন যখন আমি ক্লান্ত হয়ে যাই, আমাকে হিকমত দিন যখন আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি না, এবং আমাকে কোমলতা দিন যখন আমার আচরণ কঠিন হয়ে যায়। আমাকে এমন একজন মা হিসেবে কবুল করুন, যিনি সন্তানদের শুধু দুনিয়ার জন্য নয়, আখিরাতের জন্যও গড়ে তোলেন। আমার ছোট ছোট চেষ্টাগুলো কবুল করুন এবং আমার ভুলগুলো ক্ষমা করুন।

আমাদের ঘরের জন্য দুআ

ইয়া আল্লাহ, আমাদের ঘরকে ঈমান, ভালোবাসা ও শান্তিতে ভরিয়ে দিন। আমাদের ঘরকে এমন একটি জায়গা বানান, যেখানে কুরআনের শব্দ শোনা যায়, যেখানে প্রতিটি কোণে দুআ করা হয়, যেখানে ভালোবাসা ও দয়া একসাথে বাস করে। আমাদের পরিবারকে ঐক্যবদ্ধ রাখুন এবং আমাদের মধ্যে রহমত ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি করুন।

এই দুআগুলো শুধু কিছু কথা নয়।এগুলো একজন মায়ের হৃদয়ের গভীর ভালোবাসা, ভয়, আশা এবং স্বপ্নের প্রকাশ। আমরা হয়তো সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না, কিন্তু আমরা দুআ করতে পারি। আর সেই দুআই হতে পারে আমাদের সন্তানদের জন্য সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সবচেয়ে সুন্দর পথনির্দেশ।

তাই আসুন, এই জিলহজের ১০ দিনে আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য বেশি বেশি দুআ করি। কারণ একজন নেক সন্তানই হতে পারে আমাদের জন্য সদাকায়ে জারিয়া, যা আমাদের মৃত্যুর পরও আমাদের উপকারে আসবে।

আল্লাহ আমাদের সন্তানদের দুনিয়া ও আখিরাতে সফল করুন এবং তাদেরকে আমাদের জন্য নেক আমলের উৎস বানিয়ে দিন। আমীন। 🤍

collected

13/05/2026

আজকের হাদিস

12/05/2026

আজকের উক্তি

06/05/2026

I am heart bit in your life ゚viralシ Heart

02/05/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।আপনি আপনার গিন্নীকে নিয়ে যেভাবে বাইরে ঘুরেন।আজ বাইরে বের হওয়ার সময়, আমার সহধর্মিণী সেই ছবি দেখাইয়া আমাকে বলতাছে।তুমি কি হইছ, একা একা বাইরে ঘুরতে যাইতে ব্যস্ত হও,অথচ এই বয়সে প্রধানমন্ত্রী সে তার স্ত্রী কে সাথে নিয়ে কতটা রোমান্টিকতা সহকারে ঘুরতাছে...
(আমরা খুব চাপে আছি, মাননীয় স্পিকার...)

01/05/2026

Mountain Waterfall ゚viralシ NASA Earth

30/04/2026

This drop made everything unpredictable ゚viralシ

29/04/2026

Rainy day
Mandy Rain