Dr. Md.Bayezid Sheikh

Dr. Md.Bayezid Sheikh

Share

22/06/2025

আসসালামু আলাইকুম,,

সবাই জেনে নেই।
টনসিলাইটিস কি ?

টনসিলাইটিস হলো গলার পেছনের দিকে অবস্থিত ডিম্বাকৃতির দুটি লিম্ফয়েড টিস্যু..
যা আমরা টনসিল নামে চিনি..
সেগুলোর সংক্রমণ বা প্রদাহ।
এই টনসিলগুলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি অংশ এবং বাইরের জীবাণু (যেমন ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) প্রবেশে বাধা দেয়।
যখন এই টনসিলগুলোতে সংক্রমণ হয়..
তখন তারা ফুলে যায় এবং প্রদাহ হয়।
যা টনসিলাইটিস নামে পরিচিত।
এটি শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে।
টনসিলাইটিস হওয়ার কারণ:
টনসিলাইটিস সাধারণত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হয়।

ভাইরাস: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভাইরাস দ্বারা টনসিলাইটিস হয়। সাধারণ সর্দি-কাশি..
ফ্লু বা অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস এর জন্য দায়ী হতে পারে।

ব্যাকটেরিয়া: ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে স্ট্রেপ্টোকক্কাস পাইজেনস (Streptococcus pyogenes) নামক ব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে বেশি টনসিলাইটিসের কারণ হয়..যা "স্ট্রেপ গলা" নামে পরিচিত।
অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াও টনসিলের প্রদাহ ঘটাতে পারে।

এছাড়াও কিছু কারণ টনসিলাইটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে:

পুষ্টির অভাব।

আইসক্রিম. ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করা।

স্যাঁতসেঁতে বা আর্দ্র স্থানে বসবাস।

শীতকালে এই রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

টনসিলাইটিসের লক্ষণ:

গলা ব্যথা

টনসিল ফুলে যাওয়া এবং লাল হয়ে যাওয়া (কখনও কখনও সাদা বা হলুদ আবরণ দেখা যায়)

গিলতে কষ্ট হওয়া বা ব্যথা.

জ্বর

গলার লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া।

মুখে দুর্গন্ধ..

কানে ব্যথা..

মাথাব্যথা..

কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন..

ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বমি..
পেটে ব্যথা এবং খাবার গিলতে অনীহা দেখা যেতে পারে।

টনসিলাইটিসের প্রতিকার:
টনসিলাইটিসের প্রতিকার কারণের উপর নির্ভর করে। তবে কিছু সাধারণ প্রতিকার নিচে দেওয়া হলো:
ঘরোয়া প্রতিকার:

গরম লবণ পানি দিয়ে গার্গল: এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে দিনে কয়েকবার গার্গল করুন। এটি গলা ব্যথা কমাতে এবং প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে। লবণ একটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম: শরীরকে বিশ্রাম দিতে হবে যাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়।

প্রচুর তরল পান: জল.ভেষজ চা.স্যুপ ইত্যাদি গরম পানীয় গলাকে আর্দ্র রাখতে এবং আরাম দিতে সাহায্য করে।,,

20/06/2025

📌প্রেগন্যান্সি কনফার্ম হওয়ার পর আল্ট্রাসনোগ্রাম জরুরি কেন? শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।
গত ২মাসে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট দেখে প্রায়ই এই কেসটি পাচ্ছি। রোগীকে কাউন্সিলিং করাটা কস্টসাধ্য, তাদের যতোই বুঝাই শুধু কান্না আর কান্না।!!!

এটা স্বাভাবিক, একজন মা ৪-৫ বা ৬মাসের সময় আল্ট্রা করতে এসে যদি শুনে বাচ্চার হাত-পা-হার্টবিট সব ঠিক আছে, মেশিনে দেখা যাচ্ছে শিশুটি নড়াচড়া করছে কিন্তুু মাথার (খুলির) স্ক্যাল অংশ নাই +ব্রেইন তৈরি হয় নাই তখন সেই মা অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে আর চোখ থেকে জল গড়িয়ে পরে।

#তাদের_অনেক_প্রশ্নঃ
কেন এমনটা হলো?
কোনো বাতাস লাগে নাইতো, আমি কি এমন পাপ করলাম, আল্লাহ আমার উপর নারাজ কেন ইত্যাদি?
এখন তাহলে কি হবে? এটা কি ভালো হবে? ট্রীটমেন্ট কি?

#আসুন_বিষয়টা_একটু_জানিঃঃ------------------------
এই সমস্যাকে Anencephaly বলা হয়। এটা সাধারণত নিউরাল টিউব ডিফেক্টে হয়। এই নিউরাল টিউব কনসিভের পর ৪-৫ সপ্তাহ বা ২৮-৩২ দিনের মধ্যে তৈরি হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। যদি কোনোক্ষেএে টিউবের কোনো অংশ বন্ধ না হয় তখনই নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়ে জন্মগত এই ত্রুটি Anencephaly হয়।
আর এই নিউরাল টিউব ডিফেক্টের কিছু কারন যেমনঃ মা-বাবার জীনগত কিছু সমস্যা, আরো ফলিক এসিড এর ঘাটতি, কিছু এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস, ওপিয়ড ঔষধ যা গর্ভকালীন সময়ের প্রথম ২মাসে খেলে ইত্যাদি।

#ডায়াগনোসিস_বা_কিভাবে_এই_সমস্যা_বুঝা_যাবে?
১২-১৪ সপ্তাহের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই ডায়াগনোসিস করা সম্ভব। এছাড়াও মায়ের Serum Alpha-fetoprotein(elevated), MRI, Amniocentesis ইত্যাদি টেস্টের মাধ্যমে জানা সম্ভব।

িকিৎসা_কি?
এর কোনো চিকিৎসা এখন পর্যন্ত নাই।

#কোনো_প্রতিরোধ_ব্যবস্থা??
অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কনসিভ করার পর থেকে প্রথম ৩মাস ফলিক এসিড সেবন করতে হবে। এমনকি যারা কনসিভ করতে চাচ্ছেন তাদেরকেও কনসিভের আগে থেকেই ফলিক এসিড খেতে হবে। প্রথম দুইমাস কোনো প্রকার ওপিয়ড মানে ব্যথানাশক ঔষধ খাবেন না, এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস খাওয়া যাবেনা।

িশু_কি_জন্মের_পর_বেঁচে_থাকবে?
এরা অনেক সময় গর্ভেই নস্ট হয়ে যায় অথবা মারা যায়।
আর জন্মের সাথে সাথে বা কয়েক ঘন্টা/দিন/সপ্তাহের মধ্যেই মারা যায়। বিভিন্ন রিপোর্টের মাধ্যমে এটা প্রমানিত এই ধরনের শিশুরা জন্মের পর ১বছরের মধ্যে ১০০% ক্ষেএে মারা যায়। এরা হয় অন্ধ নয়তো বধির আর এদের কনসাসনেস থাকে না।

#কেন_এ

18/06/2025

ক্যাপুট সাকসিডেনাম কী❓

নবজাতকের মাথার ত্বকে সাময়িক ফোলাভাব ।
যা প্রসবের সময় চাপের কারণে ঘটে। এটি ক্ষতিকর নয় এবং বেশিরভাগ সময় নিজে থেকেই সেরে যায়।

কারণ -

১). জন্মের সময় চাপ: জন্মনালীর ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় মাথায় চাপ পড়ে।
২). স্বাভাবিক প্রসব: দীর্ঘ বা সহায়তাপূর্ণ প্রসবে বেশি দেখা যায়।

লক্ষণ -

🔹 নরম, ফুলে ওঠা মাথার ত্বক
🔹 ফোলাভাবের আকার ভিন্ন হতে পারে

যত্ন ও নিরাময় -

✅ নিজে থেকেই সেরে যায় কয়েক দিনের মধ্যে
✅ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ –যাতে অন্য সমস্যা না থাকে নিশ্চিত করার জন্য ।
✅ কোমল যত্ন – আলতোভাবে শিশুকে সামলানো
বিঃদ্রঃ এটি কোনো ভয় পাওয়ার বিষয় নয় – শুধু একটু ধৈর্য ও ভালোবাসাই যথেষ্ট।

( Md Shaiful Islam )

28/05/2025

আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! MH Siddiquie, Md Suzayet, Fahima Islam, MD Raju Raju Ahmed, হারুন মামুন পরিবহন, Ajker Bangali, Irshad Ali, Md Omor Faruk, Md Khayer, Md Ambat, Javeed Abbas, Nirob Manos, Mohammed Sahal, Md Farhan

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Dhaka
099