SMJ Blog

SMJ Blog

Share

16/10/2025

বাঘ প্রতিদিনই প্রচুর পরিমাণে মাংস খেয়েই জীবন কাটায় — কখনো তাকে নিয়েই টেনশন দেখা যায় না। মানুষের দৈনিক খাদ্য হলে গড়েই ২৫০–৩৫০ গ্রাম ভাত। তবু অনেকের কাছে দুশ্চিন্তা, কষ্ট, সম্পর্কের সমস্যা ও শারীরিক অসুখ দেখা যায়।
আল্লাহ প্রত্যেকের রিজিক নির্ধারণ করেছেন; এর পরও কেউ কেউ অপ্রয়োজনীয় চিন্তা বা অনুচিত পথে চলে — ফল হয় শান্তিহীনতা।
আসল শান্তি আসে সৎ উপার্জন, ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসা থেকে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক জ্ঞান, সৎ ও সচ্ছল রিজিক এবং মন-শান্তি দান করুন। 🤲🖤

20/03/2024

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের উপর হক—কতটুকু আদায় করা ওয়াজিব আর কতটুকু মুস্তাহাব?

গুরুত্বপূর্ণ লেখাটি আপনার টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন। লিখেছেন বিশিষ্ট দাঈ, মাওলানা মামুনুর রশিদ‌ কাসেমী হাফিযাহুল্লাহ

#স্ত্রীর উপর কিছু হক রয়েছে ওয়াজিব—যেগুলো পালন না করলে স্ত্রী নাশেযা অবাধ্য স্ত্রী বলে গণ্য হবে। আল্লাহ তায়ালার নিকট ফাসেকা মহিলা হিসেবে সাব্যস্ত হবে। আর কিছু হক রয়েছে এমন, যেগুলো পালন করা মুস্তাহাব। করলে ছাওয়াব পাবে। পুণ্যবতী হবে। বড়ো এহসান থাকবে। কিন্তু না করলে এই নারীকে বাজে ধরনের খারাপ বলে মন্তব্য করা যাবে না।

#ওয়াজিব হক সমূহ

#১নং: (وجوب اطاعة الزوج في غير معصية الله)
স্বামীর সকল বৈধ আদেশ পালন করা। তবে যদি গোনাহের কোনো আদেশ করে, তা পালন করা জরুরি এবং বৈধ না।

#২য়: (تمكين الاستمتاع) যদি শরয়ী বা তবয়ী কোনো নিষেধাজ্ঞা যেমন: ফরজ রোযা, এহরাম, মাসিক ইত্যাদি না থাকে, তাহলে যখনই স্বামী সহবাসের ইচ্ছে করবে, তখনই তার ডাকে সাড়া দেয়া ওয়াজিব। কোনো ওজর সমস্যা ছাড়া যদি স্ত্রী বলে—আমার মন চাচ্ছে না, আমার ভালো লাগছেনা বা আমি ব্যস্ত; এমন কথা বলে স্বামীকে সহবাস করতে না দেয়, তাহলে ঐ স্ত্রী হক নষ্টকারীণি বলে গণ্য হবে।

#৩য়: (خدمة الزوج خاصة) স্বামীর সকল ব্যক্তিগত খেদমত করা ওয়াজিব। তবে তার সন্তান, তার বাবা-মা বা পরিবারের খেদমত করা জরুরি না। তবে যদি কেউ তাদের খেদমত করে, একান্তই এহসান হবে। স‌ওয়াব পাবে। আমাদের দেশে দেখা যায়, কোনো বিবি যদি আলাদা থাকতে চায়, তাকে মন্দ বলা হয়। খারাপ ভাবা হয়, এটা সম্পূর্ণ শরয়ীত পরিপন্থী কাজ। কারণ আলাদা জীবন নারীর হক।

#৪র্থ: (لا يخرج من بيته الا باذنه) স্বামীর অনুমতি ছাড়া কখনোই বাড়ি থেকে বের হ‌ওয়া যাবে না। যদি কোনো স্ত্রী স্বামীর অনুমতিহীন বা অজান্তেই বাজারঘাটে বা বাবার বাড়ি কিংবা অন্য কোথাও যায়, তাহলে সেই স্ত্রী নাশেযা (অবাধ্য) বলে গণ্য হবে। আল্লাহর লানত পড়বে তার উপর। তখন তাকে খরচ দেওয়াও জরুরি না।

#৫ম:(لا تدخل في بيته من يكرهه زوجه) স্বামীর অনুমতি ছাড়া তার ঘরে এমন কাউকে ঢুকতে দেবে না, যাকে স্বামী অপছন্দ করে। যদিও তা বিবির বাবা-মা, ভাইবোন কিংবা স্বামীর নিজের কেউ হোক-না কেন। তবে স্ত্রী নিজ বাবা-মায়ের সাথে ফোনে কথা বলতে পারবে। বিশেষ কারণ ছাড়া যদি কোনো স্বামী বাবা-মার সাথে কথা বলতে না দেয় তা জুলুম হবে।

#৬ষ্টম: ( حفظ اموال الزوج واولاده) স্বামীর ধন-সম্পদ ও সন্তানদের হেফাজত করা।

#উপরোক্ত বিষয়গুলো স্ত্রীর উপর ওয়াজিব। এ ছাড়া অন্য যা আছে, যেমন: সন্তানের লালন-পালন করে দেওয়া, স্বামীর পরিবারের খেদমত করে দেওয়া, তাকে কামায় করে খাওয়ানো, স্বামীর মেহমানদের আপ্যায়ন করা ইত্যাদি আরো যত কাজ আছে, এগুলো মুস্তাহাব। যদি কোনো স্ত্রী উপরোক্ত হকগুলো ১০০% আদায় করে স্বামীর অন্য কোনো খেদমত করে দেয়, তাহলে তা হবে মুস্তাহাব, একান্তই এহসান। কিন্তু এর বিনিময়ে টাকা গ্ৰহণ করতে পারবে না।

#সতর্কীকরণ: যদি কোনো স্ত্রী উল্লেখিত ফরজ হকগুলো আদায় করে, তাহলে হক আদায়কারী বলে বিবেচিত হবে। মুস্তাহাব হকগুলো আদায় না করার কারণে যদি স্বামী বলে যে, আমার স্ত্রী আমার হক আদায় করে না। সেই স্বামী জালিম হিসেবে গন্য হবে। ভালো না লাগলে, না পোষালে মোহর আদায় করে সুন্দরভাবে আলাদা হয়ে যাবে। কিন্তু স্ত্রীর বিরুদ্ধে অপবাদ দিতে পারবে না।

#একজন স্বামীর উপর স্ত্রীর প্রতি কতটুকু হক আাদায় করা ওয়াজিব আর কতটুকু মুস্তাহাব, নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

#১নং হক: মোহর আদায় করা।
মোহরের সর্বনিম্ন পরিমান ২.৬ ভরি রূপা, যার বর্তমান মূল্য ২৫০০ টাকা, এতটুকু দেওয়া জরুরি। এর থেকে বেশি ধার্য্য করতে পারবে। সামর্থের চেয়ে বেশি আথবা অধিক বেশি মোহর ধার্য্য করা মাকরূহ।

#২নং হক: বাসস্থানের ব্যবস্থা করা।(ভাড়ার বাড়ি হোক অথবা মালিকানা)
পরিমান: একটা বেডরুম, একটা কিচেন, আর একটা বাথরুম। আর থাকার জন্য কাথা,বালিশ, বিছানা যা লাগবে। এর থেকে বেশি ব্যবস্থা করলে সেটা মুস্তাহাব।( স্ত্রী যদি সেপারেট চায় তাহলে সেপারেট দিতে হবে) ।

#৩নং হক: নফকা দেওয়া (ভরণ-পোষণ)
নফকা হলো তিনটি জিনিস :
১.খাদ্য
২. বস্ত্র
৩.চিকিৎসা

(এছাড়া অন্যান্য যত খরচ আছে , যেমন: গহনা বানিয়ে দেওয়া, মাঝে মাঝে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, দামী দামী জামাকাপড় ও প্রোসাধনি কিনে দেওয়া, পছন্দের বস্তু কিনে দেওয়া, বড়ো মোবাইল কিনে দেওয়া, রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যাওয়া, বিয়ের বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া, বাপের বাড়ি নিয়ে যাওয়া, হজ্জ ওমরা করানো, তার পক্ষ থেকে কোরবানি দেওয়া, সদক্বা ফিতর আদায় করা, তার অন্য ঘরের সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব নেওয়া, স্থাবর কোনো সম্পত্বি লিখে দেওয়া বা বাড়ি বানিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কোনোটাই হক না। কোনোটাই জরুরী না। যদি কেউ করে তাহলে হবে মুস্তাহাব। একান্তই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।)

১.খাদ্য: একদিনের পুর্ণ খাবারের ব্যবস্থা করা। পরিমাণ: আধা সা'অ। যার বর্তমান মূল্য ৭০ টাকা। সেই হিসেবে মাসে খানা বাবদ ২,১০০ টাকা খরচ করা ওয়াজিব। ( যদি সন্তান থাকে তার হিসাব ভিন্ন) এর থেকেও বেশি খরচ করলে সেটা হবে মুস্তাহাব। একান্তই এহসান।

২-বস্ত্র: পরিমান হলো, চলমান তিনটি পোশাকের ব্যবস্থা করা। শীতবস্ত্র দেওয়া এবং পারলে নামাজের জন্য এক সেট পোশাকের ব্যবস্থা করা। কোনো একটি ব্যবহারের অযোগ্য হলে আবার ব্যবস্থা করা। এতটুকু জরুরি। এর থেকেও যদি বেশি জামাকাপড় কিনে দেয়, তাহলে সেটা হবে হাদিয়া। যদি মোহরের নিয়ত করে, মোহরও আদায় হয়ে যাবে।

৩. চিকিৎসা: যদি স্ত্রী এমন অসুস্থ হয়, যার কারণে সহবাস বন্ধ না থাকে, সেই চিকিৎসা করানো স্বামীর দায়িত্ব।‌ আর যদি এমন অসুস্থ হয়, যার কারণে স্ত্রীর সাথে সহবাস বন্ধ থাকে, ওই চিকিৎসার ব্যায় বহন করা স্বামীর উপর জরুরি না। যদি করে তা হবে মুস্তাহাব, সওয়াব পাবে। এক্ষেত্রে স্ত্রী নিজের মোহরের টাকা বা নিজের সম্পত্তি থেকে খরচ করবে।

#বাসস্থান এবং উল্লেখিত তিনটি হকের পদ্ধতি কেমন হবে? :
বাসস্থান, খাদ্য, বস্ত্র ও চলাচলের ক্ষেত্রে স্ত্রীর বাবার বাড়ির অবস্থা এবং স্বামীর অবস্থার মাঝামাঝি হবে।

#বি:দ্র: উল্লেখিত তিনটি হক স্বামীর উপর ঐ সময়ই জরুরি, যখন স্ত্রী তার বাড়িতে তার বাধ্য হয়ে থাকবে। যদি স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য হয়ে বাবার বাড়িতে বা বোনের বাসায় অথবা অন্য কোথাও অবস্থান করে, তাহলে তখন স্বামীর উপর এই হকগুলো আদায় করা জরুরি না।

#৪নং হক: সহবাস করা: যদি স্ত্রীর সম্মতি না থাকে, তাহলে চার মাসে কমপক্ষে একবার সহবাস করা ওয়াজিব । যদি এর থেকে বেশি করে তাহলে সেটা স্বামীর ইচ্ছা। স্ত্রীর অর্গাজম করে দেওয়া জরুরী না। তবে মুস্তাহাব হলো, নিজের বীর্য আউট হয়ে যাওয়ার পরেও ভিতরে কিছুক্ষণ রেখে দিবে। সাথে সাথে নেমে যাবে না। যাতে স্ত্রী তৃপ্ত হতে পারে। তবে যদি এর থেকেও বেশি সহবাস করে এবং অর্গাজম করিয়ে দেয়, উত্তম হবে। উল্লেখ্য, স্বামী যখনই মিলন চাইবে, তখনই দিতে হবে। স্ত্রী যখন চাইবে তখনই সাড়া দেওয়া জরুরি না।

#বি:দ্র: যদি স্বামীর লিঙ্গের আয়োতনে ছোটো হওয়া বা সীমিত সময়ের কারণে স্ত্রী পূর্ণ তৃপ্তি না পায় অর্থাৎ স্বামী যদি স্ত্রীর অর্গাজম করে দিতে অক্ষম হয়, তাহলে স্বামী হক নষ্টকারী হয় না। তবে এক্ষেত্রে স্ত্রীর জন্য তার থেকে তালাক নিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করার অনুমতি আছে। কিন্তু একথা কখনোই বলতে পারবে না যে, স্বামী আমার হক আদায় করতে পারে না। কারণ স্ত্রীর অর্গাজম করিয়ে দেয়া স্বামীর জন্য হক আদায়ের পর্যায়ে পড়ে না।

#৫নং হক: স্ত্রীর আরেকটি হক হলো, স্বামী মারা গেলে তার সম্পদের ৪/৮ ভাগের এক অংশ পাবে।

#সতর্কীকরণ: যদি কোনো স্বামী উল্লেখিত ফরজ হকগুলো আদায় করে, তাহলে হক আদায়কারী বলে বিবেচিত হবে। মুস্তাহাব হকগুলো আদায় না করার কারণে যদি স্ত্রী বলে যে, আমার স্বামী আমার হক আদায় করে না। সেই মহিলা ফাসেক, মাল'উন ও জাহান্নামী বলে বিবেচিত হবে। ভালো না লাগলে, না পোষালে তালাক তথা খুলা নিয়ে চলে যাবে। কিন্তু স্বামীর বিরুদ্ধে অপবাদ দিতে পারবে না। তাহলে ভিন্ন গোনাহের অধিকারিণী হবে।

15/10/2023

সেই মেয়েটি সত্যি অনেক ভাগ্যবতী, যার স্বামীর রোজগার কম হলেও চরিত্র এবং ভালোবাসাটা একদম খাঁটি!
-সংগৃহীত

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Cumilla?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Cumilla
3500