Absar Nur
25/06/2025
দালাল.…..
Iran Zindabad
🇧🇩 ❤️ 🇮🇷
22/06/2025
৭১ এ পাকিস্তানের কাছ থেকে আমরা স্বাধীন হয়েছি।
তারা ৩য়, ৪র্থ প্রজন্মের বিমান অপারেট করতেছে আগামী অগাস্ট মাসে ৫ম প্রজন্মের ৪০টি স্টিলথ ফাইটার কিনতেছে।
আর আমরা ৭১ এ যে বিমান চালাইছি বলতে গেলে তাই আছে।
আমাদের আছে চেতনা, সহ-সভাপতি, রঠার জাতীয় সঙ্গীত আর পহেলা বৈশাখের ল্যাওড়া পুতুল।
(সংগৃহীত)
এই দেশে নেতার অভাব নেই কিন্ত আয়াতুল্লাহ খোমেনির মতো একজন নেতার অভাব আছে।
আসসালামু আলাইকুম
শুভ রাত্রি 🌌
দালালদের কথা শুনবেন না স্যার...
বিস্তারিত কমেন্ট
ঈদ মুবারক 🌙
07/06/2025
চেতনাবিহীন প্রায় ৪০ মিনিট ধরে দেয়া প্রফেসর ড. ইউনুসের দেয়া ভাষণের কিছু খন্ডচিত্র তেলাতেলি, চেতনা ছাড়া আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।
আগামি বছরের এপ্রিলে প্রথমাংশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথমবারের মত কোন হজ্জ যাত্রীকে হেনস্তা হতে হয় নাই।
প্রথমবারের মত সরকারি টাকায় কেউ হজ্জে যায় নাই।
বাস, রেল এবং প্লেনের টিকেটের জন্য সরকারি ভাবে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম করতে যাচ্ছে।
প্রবাসী ভাইবোনদের অনেক দিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা সংশোধন করা হয়েছে। এখন পুরনো পাসপোর্টে 'নো ভিসা রিকোয়ার্ড স্টিকার' থাকলে বা জন্মসনদ থাকলে বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদন করতে পারবেন।
সব ধরণের সরকারি সেবা পাওয়ার জন্য "নাগরিক সেবা বাংলাদেশ" এই নামে একটা সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে।
দেশের সর্বত্র বেসরকারিভাবে সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত তরুণ উদ্যোক্তারা এই কেন্দ্র থেকে সকল সরকারি কাজ যেমন এনআইডি, জিডি, পাসপোর্ট, লাইসেন্স, কর ফাইলিং সহ সকল কাজ করা যাবে যার ফলে হ্যাসেল এবং দালাল ফ্রি সেবা পাওয়া যাবে। দেশের প্রতিটি প্রান্তে এই সেন্টার থাকবে।
এমনকি বিদেশে বসেও প্রবাসিরা বিদেশে স্থাপিত এই কেন্দ্র থেকে সকল সেবা পেয়ে থাকবেন।
প্রথম বারের মত এই বছরের বাজেট আগের বছরের তুলনায় কম হয়েছে।
মোট ৫৪ টি মন্ত্রনালয় ১ হাজারের উপরে সংস্কার পদক্ষেপ নিয়েছে।
দেশের ১ হাজারের উপর সরকারি অবকাঠামোর বিগত সরকারের বাপ দাদা নানা নানির নামে করা নাম গুলো পরিবর্তন করা হয়েছে।
মেগা ডাকাতির প্রকল্প থেকে শুধুমাত্র ৫ টি মন্ত্রনালয় থেকে ভৌতিক ব্যয় বাদ দেয়া হয়েছে, যার অংক ৪৬ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এবং এই টাকা দিয়ে জ্বালানী খাতের বিগত সরকারের সমস্ত বকেয়া টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
বিনিয়োগ বান্ধপ পরিবেশের জন্য ৩০ টি প্রস্তাবের মধ্যে ১৮ টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
কাতার চ্যারিটির মাধ্যমে দেশের মাদ্রাসায় পড়াশোনা করা ছাত্রদের বিদেশি শিক্ষা দেয়ার প্রকল্প নেয়া হচ্ছে।
জাপান বাংলাদেশে রেলপথ উন্নয়নে ১ বিলিওন ডলার এবং আগামি ৫ বছরে ১ লাখ শ্রমিক পাঠানোর চুক্তি হয়েছে। (উল্লেখ্য রেল পথ উন্নয়নে কেউ সাধারণত বিনিয়োগ করতে চায় না)
জুলাই শহীদদের ৮৩৪ টি পরিবারের মধ্যে ৬৩০ শহীদ পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে সঞ্চয় পত্রের জন্য ব্যাংক চেক দেয়া হয়েছে।
১২৫০০ জন আহতকে ১০৬ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে ১৫৩৯৩ জন চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন, এর মধ্যে ৫১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হয়েছে, এবং ২৮ জন প্রক্রিয়াগত আছে।
এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের ২৬ জন বিদেশি চিকিৎসক বিনামূল্য (যাতায়াত ছাড়া) চিকিৎসা দিয়েছেন।
প্রথমবারের মত আদালতের অনুমতিক্রমে লাইভ বিচারকাজ সম্পাদন হচ্ছে ট্রান্সপারেন্সির জন্য।
আগামি মাসেই জুলাই সনদ প্রকাশ করা হবে।
আগামিতে এমন শ্রুতি মধুর ইনফোর্মেটিভ এবং আশাজাগানিয়া বক্তব্য শুনতে পারবেন কি না জানি না, তবে এখন তা শুনে আপনার মেমোরি ক্রিয়েট করতে পারেন।
আমার আইডিয়া অনুযায়ী ৮০% এর ও কম গভ: এর অন্য ডিপার্টমেন্টের সাপোর্ট পেয়েও একজন রাষ্ট্র নায়কের ভূমিকা সম্পর্কে আপনাদের জানা উচিৎ।
©
06/06/2025
গতবছর যেই ছাগল নিয়ে চারিদিকে এতো হইচই সেই ছাগলটি আছে কিন্তু ছাগলের ক্রেতাদের জীবন লন্ডভন্ড হয়ে গেল। এই বছর সেই ছাগলটি গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হবে।
05/06/2025
একটা হরর স্টোরি বলি। সত্যিকারের হরর স্টোরি।
এ লেখার বিষয়বস্তু নিয়ে কিংবা পোস্টে দেয়া লিঙ্ক ঘাঁটাঘাঁটি করলে নিজ দায়িত্ব করবেন। মজা করছি না, সিরিয়াসলি বললাম।
পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিতে দুই ধরণের মুরগীর প্রজনন করা হয়। ডিমের জন্য লেয়ার মুরগী, আর মাংসের জন্য ব্রয়লার। ব্রয়লার মুরগী ছয়-সাত সপ্তাহের মধ্যে বিশাল বড় হয়ে যায়। মাংশ হয় প্রচুর। আর লেয়ার মুরগীর স্পেশালিটি হল সাইযে বড় না হলেও এ জাতের মুরগী অনেক বেশি ডিম দেয়। তবে ডিম তো দেয় শুধু নারী মুরগী। পুরুষদের কী হয়?
মেরে ফেলা হয়।
জন্মের প্রথম দিনই ওদের মেরে ফেলা হয়। কারণ এ মুরগীগুলোর জীবন প্রফিটেবল না। পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রির কাছে এরা ‘সারপ্লাস’। পুরুষ হবার কারণে এদের কাছ থেকে ডিম পাওয়া যায় না। আর লেয়ার জাতের হবার কারণে পাওয়া যায় না ব্রয়লার মুরগীর মতো মাংসও তাই সবচেয়ে লাভজনক, সবচেয়ে ‘একোনমিক’ সমাধান হল এই বাচ্চাগুলোকে যতো দ্রুত সম্ভব মেরে ফেলা।
আর তাই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এক দিন বয়েসী ৭০০ কোটি পুরুষ শিশু মুরগী হত্যা করা হয়। হ্যাঁ, ৭০০ কোটি। ৭ বিলিয়ন।
এই মেরে ফেলার কাজটা কীভাবে করা হয় জানেন?
বিভিন্ন পদ্ধতি আছে।
১। শ্বাসরোধ করা: বাচ্চাগুলোকে বিশাল বিশাল প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে আটকে দেয়া হয়। বাতাসের জন্য হাঁসফাঁস করতে করতে দমবন্ধ হয়ে মারা যায় ওরা।
২। ইলেক্ট্রোকিউশান: ডিম ফুটে বের হওয়া বাচ্চাদের ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে হত্যা করা হয়।
৩। সারভিকাল ডিসলোকেশান: সোজা বাংলায়, হাত দিয়ে টেনে মাথা ছিড়ে ফেলা হয় শরীর থেকে।
৪। গ্যাসিং: গ্যাস চেইম্বারে চালু করে দেয়া হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস। সদ্যজাত মুরগীগুলো একসময় জ্ঞান হারায় এবং মারা যায়।
৫। ম্যাসেরেইশান: পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে পছন্দের পদ্ধতি। বাচ্চাগুলোকে প্রথমে একটা কনভেয়ার বেল্টে ছুড়ে দেয়া হয়। কনভেয়ার বেল্ট জীবন্ত বাচ্চাগুলোকে নিয়ে ফেলে প্রচন্ড গতিতে ঘুরতে থাকা ধারালো ধাতব পাতের মধ্যে। মূহুর্তের মধ্যে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ওরা।
ব্লেন্ডার আছে না? একটা ঢাউস সাইযের ব্লেন্ডারের ভেতর একদিন বয়েসী মুরগীর বাচ্চাকে ছেড়ে দিলে কী হবে চিন্তা করুন। সেইম প্রসেস। তবে একটা না, শত শত কোটি মুরগীর বাচ্চাকে এভাবে হত্যা করা হয়। পুরো ব্যাপারটা পুঁজিবাদের ইউটিলিটারিয়ান সমীকরণ আর মডার্নিটির মনস্তত্ত্বের অসাধারণ এক দৃষ্টান্ত। আগাগোড়া পিওর মেশিন লজিক।
দুটা ভিডিও লিঙ্ক দিচ্ছি কমেন্টে, ভিডিগুলো দেখেন। না দেখলে ব্যাপারটার যান্ত্রিক নিষ্ঠুরতা বোঝা সম্ভব না।
এই ভয়ঙ্কর কাজটার একটা সুন্দর নাম আছে। Chick Culling বা Male Chick Culling। বাংলাদেশে কী হয় জানি না, কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় এটা পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস। এবং আমরা সবাই এই প্রক্রিয়ার অংশীদার।
হ্যাঁ, এই নৃশংসতা বন্ধ করতে গেলে নিশ্চিতভাবেই পোল্ট্রি প্রডাকশন কমবে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে, ফ্রাইড চিকেন হয়তো পাওয়া যাবে না। চালানো যাবে না কেএফসির মতো মাল্টিবিলিয়ন ডলার ফ্র্যাঞ্চচাইয। ফাস্ট ফুডের নেশা উপভোগ করা যাবে না যখন তখন। কিন্তু অবিশ্বাস্য মাত্রার এ নিষ্ঠুরতাকে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার বানিয়ে ফেলার চেয়ে কি তা খুব একটা খারাপ হবে?
আলহামুদলিল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের অনেক নিয়ামত দিয়েছেন। প্রানীজগত থেকে আমরা উপকৃত হতে পারি, এটাও একটা নিয়ামাহ। খাদ্যের জন্য হালালভাবে পশু হত্যা জায়েজ, এবং এটা মানবজাতির জন্য প্রয়োজন। কিন্তু এমন একটা প্রসেসকে কীভাবে সমর্থন করা যায়, যেটার অবশ্যাম্ভাবী সাইড ইফেক্ট হিসেবে বছরে ৭০০ কোটি সদ্যজাত মুরগীকে এতো বীভৎসভাবে হত্যা করা হয়? কীভাবে এখানে হুকুকুল ইবাদ (বান্দার হক) রক্ষিত হয়? কীভাবে রাহমাতুললি আলামীনের (ﷺ) এর শিক্ষার সাথে এমন আচরণকে মেলানো যায়?
মনে রাখবেন পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু এই ৭০০ কোটি শিশু মুরগীকে কোন কাজে লাগাচ্ছে না। এরা স্রেফ সারপ্লাস। বিক্রিয়ার অপদ্রব্য। এর সাথে কুরবানীর অবস্থা মিলিয়ে দেখুন।
কুরবানীর পশুর প্রায় প্রতিটি অংশ কাজে লাগে। শুধু একজন ব্যক্তি কিংবা পরিবার না, বরং পুরো সমাজ উপকৃত হয়। কুরবানীর পশুর মাংসের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ বিলিয়ে দেয়া হয়। কুরবানীর সময় এমন অনেক মানুষ মাংস খেতে পায় বছরের অন্য সময় মাংস খাবার সুযোগ যাদের হয়তো হয় না। কুরবানী কেন্দ্রিক বেচাকেনাতে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এবং খামারীরা সুযোগ পায় অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবার।
এবং পুরো ব্যাপারটা করা হয় সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির জন্য। আত্মকেন্দ্রিক ভোগের জন্যে না। আমরা সব কিছুর মালিকের নির্দেশে, তাঁরই দেয়া সম্পদ, তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কুরবান করি। বছরে একদিন। আর এই এক ইবাদাহ থেকে উপকৃত হয় পুরো সমাজ।
ফাস্টফুডের নির্জীব আত্মকেন্দ্রিকতা, মাল্টিবিলিয়ন ডলার কর্পোরেইশানের নির্জলা প্রফিটমুখীর চিন্তা, আর সারপ্লাস হত্যার সাথে কতো আকাশপাতাল তফাৎ।
তবু বছর বছর ইসলামের বিধান কুরবানীর বিরোধিতা করে হাজার হাজার শব্দ লেখা হয়। কিন্তু পুঁজিবাদী পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ আমরা বিনা প্রশ্নে সয়ে যাই। এক বিচিত্র মনস্তত্ত্ব আধুনিকতা আর আধুনিক মানুষের। এক বিচিত্র দ্বিচারিতা সহনশীলতা আর উদারতার নামে।
~ আসিফ আদনান
ফেসবুক পোস্ট, ০৯ জুলাই, ২০২২
©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Address
Chittagong
4390