Express Insurance Limited
-সে'ক্স করার সময় মনে ছিলো তোমার পরিবার আমাকে মানবে না?
-এখন তো জানবে না? পরকীয়া করার সময় তো কতোই না বাহানা দিছো?
যেখানে আমার বাবা মায়ের অনুমতি নেই
সেখানে আমার বিয়ে করা সম্ভব না।
ঠিক আছে যাও তোমাকে মুক্ত করে দিলাম।
আজকের পরে আমাকে কোথাও পাবেনা।
তোমার কাছে এসে ভালোবাসার কথা বলবো না।
তুমি অন্য কাউকে নিয়ে শুখে থেকো।
আমি তোমাকে মৃত্যুর পরে ও ভালোবেসে যাবো
'কথা গুলা শুনতে খারাপ লাগলেও
এটাই সত্যি?
অভিশাপ না দিলেও "রুহের হায়" বলে একটা কথা আছে,যাকে “Revenge of Nature” বলে।কোরআন-এর ভাষায় যেটা“কিফারাহ্”।এ সম্পর্কে বেশ কয়েক বার বলা আছে কোরআনে।যেটা আমাদের বিশ্বাস করতেই হবে।সবসময় হয়তো আমরা বুঝে উঠতে পারি না সঠিক কোন কাজের শাস্তি পাচ্ছি!কাউকে কষ্ট দিয়ে,কাউকে কাঁদিয়ে, কাউকে কথা দিয়ে বেমালুম ভুলে যাই আমরা।কিন্তু প্রকৃতি ভুলে না,ক্ষমা করে না!
এমনকি এই মুহূর্তে আপনি যার সাথে অন্যায় করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন,সে হয়তো প্রতিবাদ করবেনা! কিন্তু তার ওই কষ্ট থেকে আসা 'রুহের হায়' আপনার সাথে বোঝাপড়াটা সঠিক সময়ে করে নিবে। কারণ সৃষ্টিকর্তা কাউকে ঠকান না, তিনি কারোর একার না!🙂
ভালোবাসার মানুষটাকে এখন আর ভালো লাগতেছে না? দূরত্ব বাড়িয়ে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে? ছেড়ে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে? সম্পর্ক শেষ করে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে? তবে এখন আপনার করণীয় কি জেনে নিন!
যেহেতু মানুষটাকে আপনার ছাড়া'ই লাগবে, মানুষটার কোনো দোষ বা ভুল খুঁজে বের করতে হবে! সেটাকে একটা বড় 'ইস্যু' বানাতে হবে! আপনি তো আর এমনি এমনি ছেড়ে আসতে পারবেন না, হাজারহোক আপনি একজন বিবেকবান মানুষ, কাউকে ডিরেক্ট ছেড়ে আসাটা অন্যায় বলে মনে হবে আপনার কাছে! আর ডিরেক্ট কাউকে ছাড়া যায়'ও না, কারণ মানুষটা আপনাকে বারবার 'ছেড়ে দেয়ার কারণ' জিজ্ঞেস করবে! আর তাকে উত্তর দেয়ার মতো আপনার কাছে থাকবেও না কিছু! কাজেই আপনাকে যেটা করতে হবে, 'মানুষটাকে আপনার অনবরত ইগনোর করা শুরু করতে হবে!'
হ্যাঁ মুখে অবশ্যই তাকে বলবেন যে 'ভালোবাসি তোমাকে!' কিন্তু কাজে কর্মে প্রচুউউর ইগনোর করবেন, করতেই থাকবেন! তার অপছন্দের কাজগুলো বেশি বেশি করতে থাকবেন!
তারপর মানুষটা বুঝবে আপনি তাকে ইগনোর করতেছেন! সে আপনাকে জিজ্ঞেস করবে 'তাকে কেনো ইগনোর করতেছেন!?' আপনি ক্লিয়ার করে কোনো উত্তর দিবেন না, বরং অনবরত ইগনোর করা চালিয়ে যাবেন! তারপর একসময় মানুষটা মা/ন/সিক ভাবে প্রায়ই পা/গল হয়ে যাবে, অস্থির হয়ে উঠবে তাকে ইগনোর কেনো করা হচ্ছে সেই কারণ জানতে না পেরে!
ঠিক এমন সময়টায় মানুষটার উপর আপনার ভালোভাবে নজর রাখতে হবে! মানুষটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে কোনো ভুল কিংবা আপনার অপছন্দনীয় কোনো কাজ করতেছে কিনা ভালোভাবে দেখতে হবে! একবার যদি এমনকিছু করে ফেলে, তাইলেইই কাজ শেষ! আপনার মিশন সাকসেস!
তারপর মানুষটারে তার ভুলটার জন্যে ধরবেন! এমন এক্টিং করবেন, 'যেনো সে আপনার বিশ্বাসে আ/ঘাত দিয়েছে, আপনাকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়েছে, আপনার প্রতি তার কোনো ভালোবাসাই নেই!'
মানুষটাও তখন ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাবে, সে আসলেই ভুল কোনো কাজ করে ফেললো তাই!
তারপর আপনি সুযোগ বুঝে তাকে বিচ্ছেদের কথা জানাবেন, মুক্তি চাইবেন তার কাছ থেকে! সেও আর আপনাকে কোনোরকম বাঁধা দিতে পারবে না, যেহেতু সে ভুল করেছে কিংবা আপনাকে আঘাত দিয়েছে! তো সবশেষে সফলভাবে একটা সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটাতে সক্ষম হবেন আপনি!
আল্লাহর হক আল্লাহ মাফ করলে করতে ও পারেন। কিন্তু বান্দার হক নষ্ট করলে আল্লাহ কখনোই মাফ করবেন না।
তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে সব 'খালি খালি' হয়ে গেলো! ইনবক্সে তুমি নাই, মেসেঞ্জারে যাওয়া হচ্ছেনা। কোনো একটা রিলস দেখে সেটা তোমাকে পাঠাতে গিয়ে মনে পড়ে 'ওহ! তুমি তো নাই!'
মেসেঞ্জারের কল লিস্টে তোমার নাম টাও আর দেখা যাচ্ছেনা, অথচ এক সময় শুধুই তোমার নাম ই থাকতো সেখানে!
এতো পরিবর্তন হজম হয়? নাহ! তুমি থাকলে কি আর এমন হইতো? সুখেই থাকতাম! তোমার জন্য খারাপ লাগে,নিজের জন্য খারাপ লাগে! সুখেই থাকতাম, থাকা হলো না! সুখে থাকতে চাওয়াও পাপ!
Miss u Adi❤️❤️❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.