Muhammad Rakib Raza

Muhammad Rakib Raza

Share

29/01/2026

মানুষকে ক্ষমা করার ফযিলত

১. প্রিয় নবী على الله عليْهِ وَآلِهِ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তির মাঝে তিনটি বিষয় থাকবে, আল্লাহ পাক (কিয়ামতের দিন) তার হিসাব অত্যন্ত সহজ পদ্ধতিতে গ্রহণ করবেন এবং তাকে আপন রহমতে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। সাহাবায়ে কিরাম عَلَيْهِم الرضوان আরয করলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّم ! সেই বিষয়গুলো কী কী? ইরশাদ করলেন:
(১) যে তোমাকে বঞ্চিত করে তাকে তুমি দান করো
(২) যে তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে তুমি তার সাথে সম্পর্ক জুড়ে রাখো এবং
(৩) যে তোমার উপর অত্যাচার করে তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও।
(মুজামু আওসাত, ৪/১৮, হাদীস: ৫০৬৪)

২. ইরশাদ করেন: কিয়ামতের দিন ঘোষণা করা হবে: যার প্রতিদান আল্লাহ পাকের দয়াময় যিম্মায় রয়েছে, সে যেন দাঁড়ায় এবং জান্নাতে প্রবেশ করে। জিজ্ঞাসা করা হবে: কার জন্য প্রতিদান? ঘোষণাকারী বলবে: যারা ক্ষমা করে দেয় তাদের জন্য। তখন হাজার হাজার মানুষ দাঁড়াবে এবং হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে।

(মুজামু আওসাত, ১/৫৪২, হাদীস: ১৯৯৮)

৩. ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানের ভুল ক্ষমা করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ পাক তার ভুল ক্ষমা করে দিবেন।

(ইবনে মাজাহ, ৩/৩৬, হাদীস: ২১৯৯)

صَلُّوا عَلَى الْحَبِيبِ صَلَّى اللهُ عَلَى مُحَمَّد

26/01/2026

বমি দ্বারা কখন অযু ভঙ্গ হয়?

মুখভর্তি বমিতে যদি খাদ্য, পানি বা পিত্ত রঙের তিক্ত পানি নির্গত হয় তাহলে অযু ভঙ্গ হয়ে যায়। যে বমিকে নিবারণ করা খুবই কষ্টকর তাকে মুখভর্তি বমি বলে। মুখভর্তি বমি প্রস্রাবের মতই নাপাক। তাই এরূপ বমির ছিটা থেকে কাপড় ও শরীর রক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন। (বাহারে শরীয়াত, ১ম খন্ড, ৩০৬ এবং ৩৯০ পৃষ্ঠা)

26/01/2026

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تُلۡہِکُمۡ اَمۡوَالُکُمۡ وَ لَاۤ اَوۡلَادُکُمۡ عَنۡ ذِکۡرِ اللّٰہِ ۚ وَ مَنۡ یَّفۡعَلۡ ذٰلِکَ فَاُولٰٓئِکَ ہُمُ الۡخٰسِرُوۡنَ ﴿۹﴾
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ধন সম্পদ, না তোমাদের সন্তান-সন্ততি কোন কিছুই যেন তোমাদের আল্লাহর যিকির (স্মরণ) থেকে উদাসীন না করে;এবং যে কেউ তেমন করে তবে ঐ সমস্ত লোক ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।

( পারা ২৮ ‘সূরা মুনাফিকুন’ এর আয়াত নং ৯ )

26/01/2026

মানুষদের মধ্যে সর্বাধিক মন্দ ব্যক্তি:

নবীজি ﷺ এরশাদ করেন, আমি কি তোমাদেরকে সর্বাধিক মন্দ ব্যক্তি সম্পর্কে বলবো? সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন হে আল্লাহর রাসুল বলুন। নবীজি ﷺ এরশাদ করলেন,

১. সর্বাধিক মন্দ ব্যক্তি হলো সে, যে একাকী খায়, দান করে না, এবং অধিনস্তদেরকে প্রহার করে।
২. এরচেয়ে বেশি মন্দ ব্যক্তি হলো সে, যে মানুষকে ঘৃনা করে এবং মানুষও তাকে ঘৃনা করে।
৩. এরচেয়ে বেশি মন্দ ব্যক্তি হলো সে, যে মানুষের ওজর গ্রহন করে না এবং ভুল ক্ষমা করে না।
৪. এরচেয়ে বেশি মন্দ ব্যক্তি হলো সে, যার থেকে ভালো ও কল্যানকর কিছুর আশা করা হয় না এবং যার মন্দ থেকে নিরাপদ থাকা যায় না।*

লক্ষ্য করুন, সর্বাধিক মন্দ ব্যক্তি হিসেবে নবীজি যাদের কথা বলেছেন তাদের কেও আল্লাহর হক্ব নষ্ট করেছে তথা নামাজ রোযা কাযা করেছে এমন ব্যক্তি নয়। অথবা যে ব্যক্তি তার নিজের হক্ব নষ্ট করেছে তথা মদ পান করেছে বা অন্য কোন গুনাহ করেছে তাদের কথাও বলা হয়নি। বরং এমন কিছু বৈশিষ্ট তুলে ধরা হয়েছে যা আল্লাহ বা তার নিজের সাথে সম্পর্কিত বিষয় নয়, বরং অন্যের সাথে সম্পর্কিত বিষয়।

মানুষ সামাজিক জীব হিসেবে কেউ চাইলেও সমাজ ছাড়া চলতে পারে না। সেই সমাজে এমন কিছু মানুষ বসবাস করে যাদের অনিষ্ট থেকে বাঁচতে মানুষের যাওয়ারও কোন জায়গা থাকে না, বাধ্য হয়েই খোঁচা মারা কথার দ্বারাই হোক কিংবা ভিন্ন কোন উপায়ে বিভিন্ন ধরনের অনিষ্টতা তাকে সহ্য করে যেতে হয়। আর যারা এভাবে অন্যের জীবনকে বিভীষিকাময় করে তুলে, তাদের লেবাস কিংবা আমল যত সুন্দরই হোক তারা সব মন্দ লোক থেকেও আরো বেশি মন্দ। তাই কেউ ভালো কথা বলতে না পারলে উচিত মন্দ কথা না বলা বা চুপ থাকা, মানুষের উপকার করতে না পারলে উচিত অন্তত কারো ক্ষতি না করা।

সুনানে আবি দাউদ, হাদিস নং-১৪৮৫ সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস- ১১৮১

Want your business to be the top-listed Realtor/realty Service in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Chittagong