Health server
05/11/2022
খুব গুরুত্ব"পূর্ণ পো'স্ট!!
এখন খুব সহজেই জুস খেয়ে ও'জ'ন ক'মান মাত্র একটি কো'র্সে হয়ে উঠুন স্মা"র্ট
এটি বাংলাদেশ বিএসটিআইআর কতৃক অনুমদিত এবং পরিক্ষিত কোনো সাইড এ'ফে'ক্ট নেই স'ম্পুর্ন নে'চারাল ফ'রমুলায় তৈরি!!
আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের মেসেজ করুন অথবা কল করুন ০১৮৬৪৫৪৩৫০৮ এই নাম্বারে।।
05/11/2022
আসসালামু আলাইকুম 🥰দারুচিনি আমাদের সকলেরই পরিচত নাম।সবাই এটিকে মসলা হিসেবেই চিনি আমরা।কিন্তু দারুচিনি ও আমাদের সকলের শরিরের জন্য খুব উপকারী ঔষধ হিসেবে কাজ করে।চলুন তাহলে দারুচিনির কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি 🤗
দারুচিনির উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম
পরিপাকতন্ত্রের অসুখ, দাঁত ও মাথাব্যথা, চর্মরোগ, মাসিকের সমস্যা দারুচিনি সেবনে সেরে যায়। এর সাথে ডায়রিয়া, যক্ষ্মা রোগেও এর ব্যবহার উপকারী। আপনি অবশ্যই জানেন যে দারুচিনি ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যাতে আপনি সময়মতো দারুচিনি ব্যবহার করার সুবিধা নিতে পারেন।
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়
এখানে দারুচিনির উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং ব্যবহারের পরিমাণ:-
হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা সবসময় হেঁচকির অভিযোগ করেন। এই ধরনের মানুষ দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। এটি স্বস্তি দেয়।
ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য দারুচিনি খানঃ 500 মিলিগ্রাম শুঁথি পাউডার, 500 মিলিগ্রাম এলাচ এবং 500 মিলিগ্রাম দারুচিনি পিষে নিন। সকাল-সন্ধ্যা খাবার আগে খেলে ক্ষুধা বাড়ে।
বমি বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ বমি বন্ধ করতেও দারুচিনি ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি এবং লবঙ্গের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি পরিমাণে খেলে বমি বন্ধ হয়।
চোখের রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ অনেকে অভিযোগ করেন যে তাদের চোখ টলতে থাকে। চোখের ওপরে (চোখের পাতায়) দারুচিনির তেল লাগান। এতে চোখের পলক পড়া বন্ধ হয় এবং দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ যাঁরা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দারুচিনি খেতে পারেন। তুলো দিয়ে দাঁতে দারুচিনির তেল মাখুন। এটি স্বস্তি দেবে।
মাথাব্যথা উপশমে দারুচিনির উপকারিতাঃ মাথা ব্যাথা হলে দারুচিনি খান। 8-10টি দারুচিনি পাতা পিষে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দারুচিনির পেস্ট মাথায় লাগালে ঠাণ্ডা বা গরমে মাথাব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। উপশম পাওয়ার পরে, পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন।দারুচিনি তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ঠান্ডাজনিত মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়..
04/11/2022
আসসালামু আলাইকুম। 🥰
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছেন। আজকের আলোচনা খেজুর নিয়ে, এটি এমন একটি ফল যা আমাদের দেশে বেশি উৎপাদিত না হলেও খুবই পরিচিত একটি ফল।
এ ফল মূলত সৌদি আরব,ইরাক,ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে উৎপাদিত হয়ে থাকে। মুসলিম প্রধান দেশ গুলোতে এই ফলের খুব বেশি চাহিদা এবং কদর রয়েছে। হাদীস এবং কোরানে বিভিন্ন সময় তাগিদ দেয়া খাদ্য গুলো যেমন- ত্বীন, জায়তুন, দুধ, মধু, কালিজিরা সহ সকল খাদ্যের মধ্যে খেজুর অন্যতম। ধর্মীয় দিকের তাগিদ ছাড়াও এই খেজুরের রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ ঔষধিগুণ এবং উপকারিতা। তাই আজকের আর্টিকেলে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা গুলো তুলে ধরা হলো।
খেজুর খাওয়ার উপকারিতা :-
১। খেজুর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দূর করতে সাহায্য করে ।
২। খেজুর শরীরে সোডিয়াম এবং পটাশিয়ামের সমতা রক্ষা করে ।
৩। খেজুরের ক্যালসিয়াম হাড়কে মজবুত করে।
৪। খেজুর হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে।
৫। খেজুরের শরীরের শক্তি বর্ধক হিসেবে কাজ করে। এর শতকরা ৮০ ভাগই চিনি। তাই শুকনো খেজুর বা খোরমাকে বলা হয় মরুভূমির গ্লুকোজ।
৬। খেজুরে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সেরোটোনিন নামক হরমোন উৎপাদন করতে সহায়তা করে যা মানুষকে মানসিক প্রফুলতা দেয়। যা মন ভাল রাখতে সহায়তা করে।
৭। খেজুরে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে, তবে শর্ত হচ্ছে খেজুর খাওয়ার সাথে প্রচুর পানিও পান করতে হবে, তবেই উপযুক্ত ফল পাওয়া যাবে।
৮। খাদ্যে অরুচি দূর করতে সহায়তা করে।
৯। খেজুরে থাকা ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি দৃষ্টিশক্তি ভালো করতে সহায়তা করে।
১০। খেজুরে থাকা পুষ্টি উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।😊
১১। খেজুরে আছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার এবং বিভিন্ন অ্যামিনো এসিড যা খাবার হজমে সাহায্য করে থাকে। তাই বদ হজম থেকে বাচতে খেজুর খুবই উপকারী🤗
১২। খেজুর তারুণ্য এবং যৌবন ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
১৩। খেজুরে থাকা আয়রন রক্তশূন্যতা দূর করে।
04/11/2022
আসসালামু আলাইকুম ও রাহমাতুল্লাহ 🥰আশা করছি সবাই আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছেন 🙂।আজ আপনাদের সাথে নিউ বর্ন বেবি নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করব😊।আমাদের সমাজে অনেক শিশুরাই আছে যারা জন্মের পর নানারকম পুষ্টিহীতায় ভোগে😔।এক্ষেত্রে মায়ের কিছু দুর্বলতা রয়েছে।চলুন তাহলে আজকে নতুন বাচ্চা হওয়ার পরের কিছু দিক নির্দেশনা সম্পর্কে জেনে আসি 👉👉
৬ মাস শেষ হলে অর্থাৎ ১৮১ দিন পর সলিড খাবার দিতে হয়।অনেকেই বুঝতে পারে না কি দিয়ে শুরু করবে? দিনে কয় বার? কি কি দিবে?
নিচের রুটিন টা একটু ফলো করতে পারেন-
১৮২ তম দিন থেকে বেবিকে
পাকা কলা ও মিস্টি আলুর পিউরি দিবেন ১ টেবিল চামচ করে দিনে ২ বার প্রথম ৩ দিন।
পরের ৩ দিন ও একই থাকবে + হোম মেড সুজি ফর্মুলা মিল্কের সাথে, দিনে ১ বার অল্প করে।
এরপর ৩ দিন সবজি( আলু, পেপে, গাজর, মিস্টি কুমড়া, শাক যে কোন
সবজির পিউরি) দিনে ২ বার+ সুজি_★ প্রথম ৯ দিন এভাবেই চলবে।
১০ দিন থেকে সকালে ডিমের কুসুম দিয়ে সুজি+ দুপুরবেলা সিদ্ধ চাল, ডাল এর পাতলা খিচুরি+ বিকালে সবজি/ ফলের পিউরি। ৭ দিন এভাবে চলবে।
১৮ তম দিন থেকে খিচুরির সাথে একটা করে শাক, সবজি এ্যাড করবেন, বাকি সব ঠিক থাকবে।এভাবে ৭ মাস পর্য়ন্ত চলবে।
নোট:
★চিনি, লবন, গরুর দুধ এক বছরের আগে না দেওয়া ভাল।
★খাবারের পাশাপাশি পানি খাওয়াবেন অল্প করে।
★দুধের তৈরি খাবার যেমন, পায়েস, পুডিং, দই খাওয়াবেন।
★সলিড শুরুর প্রথমে পটি নরম হতে পারে, ঘন গন হতে পারে এটা নিয়ে চিন্তা করবেন না।এটা এমনি ঠিক হয়ে যায়।
★ অনেক সময় পটির সাথে গোটা গোটা খাবার ও দেখা যেতে পারে।এটাও সমস্যা না।
★যে কোন খাবার এর রিএ্যাকশন ৩ দিনে বোঝা যায়।কোন খাবারে বাবুর এ্যালার্জি হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখবেন👍👍
🍷পাশাপাশি বুকের দুধ চলবে।সলিড শুরুর আগে ও পরে বুকের দুধ দিবেন তাহলে হজমে সুবিধা হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
4000