Asthma Problem Solve Centre
02/06/2023
কোল্ড অ্যালার্জি থেকে রক্ষা পেতে
শীতকালে বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে কিছু চর্ম রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। এর মধ্যে কোল্ড এলার্জি বা শীত সংবেদনশীলতা অন্যতম। শীত এলেই অনেক শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন; অনেকে শীতজুড়েই অসুস্থ থাকেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এর কারণ কোল্ড অ্যালার্জি। কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অনেকটাই ভালো থাকা যায়।
অ্যালার্জেন
ঠাণ্ডা বাতাস, শীতকালীন স্পর্শকাতরতা বা সংবেদনশীলতা, সিগারেটের ধোঁয়া, সুগন্ধি, তীব্র গন্ধ, পত্রিকা বা বই-খাতার ধুলা, পরিবেশের দূষণ, ফুলের রেণু ইত্যাদির উপস্থিতিতে অনেকের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বা অ্যাজমা, সর্দি-কাশি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে বা উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এসব হলো অ্যালার্জেন, যার উপসর্গে অ্যালার্জি হয়। খুব বেশি মাত্রার শীতও অ্যালার্জেন হিসেবে কাজ করে অনেকের।
কারণ
মানুষের নাসারন্ধ্র ও শ্বাসনালিতে স্নায়ুকোষের কিছু রিসেপ্টর আছে। এগুলো জোড়া নার্ভ, যা শ্বাসনালি ও কণ্ঠনালির মাংসপেশির সংকোচন ও প্রসারণ উদ্দীপ্তকারীর সঙ্গে সংযুক্ত। এর আগে উল্লিখিত অ্যালার্জেনগুলো শ্বাসনালির রিসেপ্টর নার্ভ উদ্দীপ্ত করে। ফলে শ্বাসনালির মাংসপেশির সংকোচন ঘটে এবং শ্বাসনালি সরু হয়ে যায়। তখন রোগীর শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি দেখা দেয়। তবে শীতকালে কেন এসব উপসর্গ বেশি হয়, তার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি।
উপসর্গ
► নাক দিয়ে পানি পড়া
► নাক চুলকানো
► কাশি
► শ্বাসকষ্ঠ
► বাঁশির মতো আওয়াজ বের হওয়া
► বুক চেপে ধরা ইত্যাদি।
চিকিৎসা ও করণীয়
► অ্যালার্জি টেস্ট করে কারণ নির্ণয় করুন এবং সেসব কারণ পরিহার করে চলুন।
► অ্যালার্জি আছে এমন খাবার এড়িয়ে চলুন।
► ঠাণ্ডা বাতাস থেকে পরিত্রাণ পেতে ফ্লানেল কাপড়ের তৈরি এক ধরনের মুখোশ (ফিল্টার মাস্ক) বা মুখবন্ধনী ব্যবহার করতে পারেন। এটা মুখের অর্ধাংশসহ মাথা, কান ঢেকে রাখে। ফলে ব্যবহারকারীরা উত্তপ্ত নিঃশ্বাস গ্রহণ করতে পারেন।
► অ্যালার্জির রোগীরা দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকতে চিকিৎসকের পরামর্শে ভ্যাকসিন বা টিকা নিতে পারেন। এই টিকা দেশেই পাওয়া যায়।
এ্যাজমা রোগীর জন্যে নিষিদ্ধ
মিষ্টি দধি ও মিষ্টান্ন; ফ্রিজের কোমল পানীয়; আইসক্রিম, ফ্রিজে রাখা খাবার; ইসুবগুল ও গ্রেবী জাতীয় খাবার; কচুর লতি, তিতা জাতীয় খাবার; পালং শাক ও পুই শাক, মাসকলাই, মাটির নীচের সবজি যেমন-গোল আলু, মিষ্টি আলু, শালগম, মুলা, গাজর ইত্যাদি। এছাড়াও ইলিশ মাছ, গরুর গোশত, চিংড়ী মাছ ৭-পাম অয়েল, ডালডা ও ঘি; অধিক আয়রনযুক্ত টিউবওয়েলের পানি।
এ্যাজমা রোগীর প্রাথমিক লক্ষণ
বুকে সাঁই সাঁই বা বাঁশির মত শব্দ হওয়া; শ্বাস কষ্ট হওয়া; বুকে চাপ অনুভব করা; দীর্ঘ মেয়াদী কাশিতে ভুগতে থাকা; ব্যায়াম করলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়া; সাধারণ লক্ষণসমূহ; শীতকালে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়া; ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া; কাশির সাথে কফ নির্গত হওয়া; গলায় খুসখুস করা ও শুষ্কতা অনুভব করা; রাতে কাশি বেড়ে যাওয়া; নাড়ীর গতি দ্রুত হওয়া; কথা বলতে সমস্যা হওয়া; সর্বদা দুর্বলতা অনুভব করা; দেহ নীল বর্ণ ধারণ করা।
02/06/2023
অ্যাজমার যে ৭ উপসর্গ প্রত্যেকের জানা উচিতঃ
এস এম গল্প ইকবাল : অ্যাজমা বা হাঁপানি হলো শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি রোগ। এটি এমন এক অবস্থা যখন প্রদাহযুক্ত এয়ারওয়ে (ফুসফুসে বায়ু প্রবেশের পথ) শ্বাসকার্য কঠিন করে তোলে। অ্যাজমার প্রধান উপসর্গ হচ্ছে, শ্বাসকার্যের সময় হুইসেল দেওয়ার মতো বা সাঁসাঁ বা চিঁচিঁ শব্দ হওয়া। এ প্রতিবেদনে অ্যাজমার আরো দুর্বোধ্য উপসর্গ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। * আপনার বয়স চল্লিশের ঘরে আছে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কলেজ অব মেডিসিনের ডিভিশন অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইমিউনোলজির পরিচালক এফ. লকি বলেন, ‘বয়স্কদের মধ্যে অ্যাজমা আরম্ভ হওয়ার শ্রেষ্ঠ বছর হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০।’ যাদের মধ্যে অ্যাজমা বিকশিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে তাদের অধিকাংশেরই অ্যালার্জি আছে অথবা শিশুদের মতো ডিসঅর্ডার আছে- যদিও তাদের শারীরিক বৃদ্ধি বেশ ভালো। অনেকক্ষেত্রে এটি কোনো ইনফেকশনের পর হতে পারে। ডা. লকি বলেন, ‘আপনার ঠান্ডা লাগলে হঠাৎ অ্যাজমাও হতে পারে।’ * আপনার কাশি দূর হচ্ছে না আমেরিকান কলেজ অ্যালার্জি, অ্যাজমা অ্যান্ড ইমিউনোলজির (এসিএএআই) মতে, ‘এটি ভাবা সহজ যে কাশির মানে হচ্ছে আপনার ঠান্ডা লেগেছে বা ব্রংকাইটিস হয়েছে, কিন্তু কাশির ফিরে আসা অব্যাহত থাকলে এটি অ্যাজমার লক্ষণ হতে পারে। যখন আপনি হাসেন বা শয়ন করেন, আপনার কাশি আরো খারাপ হয়। এটি বুক থেকে আসে, গলা থেকে নয়।’ কফ-ভ্যারিয়েন্ট অ্যাজমা নামে পরিচিত একপ্রকার অ্যাজমার একমাত্র উপসর্গ হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী কাশি। এসিএএআই অনুসারে, এ ধরনের অ্যাজমায় ভোগা লোকেরা ওভার-দ্য-কাউন্টার কাশির ওষুধে (যা কিনতে ডাক্তারি প্রেসক্রিপশন লাগে না) উপশম লাভ করে না, সফল চিকিৎসার জন্য প্রেসক্রিপশন অ্যাজমা ওষুধ প্রয়োজন হবে- প্রায়ক্ষেত্রে ইনহেলার হিসেবে। * আপনি প্রচুর দীর্ঘশ্বাস, হাই তুলে শ্বাস অথবা গভীর শ্বাস গ্রহণ করেন দীর্ঘশ্বাস, হাই তুলে শ্বাস, গভীর শ্বাসের মানে এই নয় যে আপনি অবশ্যই অ্যাজমায় ভুগছেন। তবে ভুগতেও পারেন-প্রকৃতপক্ষে, এসব অ্যাজমার উপসর্গ হতে পারে। এই তিন উপায়ে শ্বাসকার্য শরীরে অধিক অক্সিজেন সরবরাহ এবং শরীর থেকে অধিক কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের হওয়ার সঙ্গে জড়িত- এটি হচ্ছে সংকুচিত এয়ারওয়ের দ্বারা সৃষ্ট ভারসাম্যহীনতা প্রতিকার করতে অচেতন প্রচেষ্টা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
Chittagong