Study corner for BCS- PSTU
24/04/2026
দুমকি ক্যাম্পাসের বড় ভাইয়ের লেখা
এডমিশন টু গ্র্যাজুয়েশনঃ জীবনের দুই পুলসিরাত
২০১৪ সালে HSC পরীক্ষার পরে হুট করেই মনে হয় সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আর এডমিশন দিবনা, ইন্টারমিডিয়েট এ এতটাই ফাকিবাজি করেছিলাম যে সায়েন্সের সাবজেক্টের ক খ ও জানতাম না। তাই আর্টস বিভাগে পরীক্ষা দিতে গিয়ে রীতিমতো বেগ হতে হয়। সব জায়গায় মেরিটে শেষের দিকে আসত। যার ফলে খুব হতাশ হয়ে যাই। মন থেকে খুব চাইতাম ইশ! কম্পিউটার সায়েন্স রিলেটেড কোনো সাবজেক্টে ভর্তি হতে পারতাম!কিন্তু আর্টস এ পরীক্ষা দেওয়ার কারণে সেটার সুযোগ ছিলনা। তাই হতাশাটাও অনেক বেশি ছিল।
কোথাও চান্স না পেতে পেতে ভাগ্য ফিরে তাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এডমিশনে। ওয়েটিং এ ভাল একটা পজিশন আসে। ভেবেই নেই যাক তাহলে অন্তত ইউনিভার্সিটি লাইফে পদার্পন হচ্ছে।
তখনকার সময়ে এন্ড্রয়েড বা স্মার্ট ফোনের আধিক্য ছিলনা, হাতে ছিল একটা Java প্ল্যাটফর্ম ওয়ালা মোবাইল, Opera Mini দিয়ে ইন্টারনেট চালাতাম। এক সপ্তাহ পরপর মোবাইলে ইন্টারনেট কিনে অনলাইনে গিয়ে খোজ নিতাম কবে ভর্তি হবে। একদিন শীতের সকাল,মনে হল জগন্নাত বিশ্ববিদ্যালয়ের এডমিশন পেইজে ঢুকি, হুট করে দেখি আমার রোলের ভাইভার ডেট পড়েছে, ভাইভা দিয়ে ভর্তি হতে হবে। চোখ গিয়ে পড়ল তারিখ এবং সময়ের দিকে। দেখেই মনটা খারাপ হয়ে গেলো। একদিন আগে তারিখটা পার হয়ে গেছে। ভাবলাম যে তবুও যাবো কিনা। কিন্তু কি যেন ভেবে আর গেলাম না। শুরু হলো বাড়তি ডিপ্রেশনের।
ন্যাশনালে ভর্তি হয়ে কাটিয়ে দিলাম কিছুদিন। এরপর আবার এডমিশন টাইম চলে আসল। এবার ভাবলাম যে কষ্ট করে হলেও সায়েন্স এই দেই। কিছু বই কিনে পড়া শুরু করলাম। কিন্তু কোথাও চান্স হচ্ছিল না। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর পরীক্ষাটা সবার লাস্টে ছিল। পবিপ্রবিতে যেদিন পরীক্ষা ছিল তার পরেরদিন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফর্ম ফিলাপ এর তারিখ ছিল, যদি মিস করি তাহলে আরো এক বছর নষ্ট হবে। কিন্তু কি যেন ভেবে ডিসিশন নিলাম পবিপ্রবি তেই এক্সাম দেবো। ন্যাশনালে ফর্ম ফিলাপ করব না। তো পরীক্ষা দেই, কেমন হয়েছিল তখন বুঝতাম না, ভাবতাম হলো ত মোটামুটি। পরীক্ষার দুইদিন পরে রেজাল্ট হলো, দেখলাম মেরিটেই চান্স হয়ে গেলো।
এরপর সেখানে থাকারই প্ল্যান করে ফেললাম। ভর্তি হলাম নিউট্রিশন এন্ড ফুড সায়েন্স অনুষদে। বাসা নাটোর হওয়াতে ইউনিভার্সিটি অনেক দূরে ছিল। তাই ১/২ মাস দেরি করে ভার্সিটিতে যাই। ক্লাস এর গ্যাপ, পড়াশোনা থেকে দূরে থাকা ইত্যাদি কারণে মনে হচ্ছিল সবার সাথে তাল মেলাতে পারছিনা। দেরি করে আসার কারণে ব্যাচমেট বা সিনিয়র কারও সাথে পরিচিত হওয়া হয়নি, একেবারেই নতুন পরিবেশ, অবস্থান, সবকিছু মিলিয়ে একটা প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয় আমার জন্য, প্রচুর ডিপ্রেসড থাকতাম।
আবার অইদিকে মন তখনও পড়ে আছে সিএসই তে, লাইব্রেরি থেকে C,C+,Java এগুলোর বই নিয়ে আসতাম, পড়তাম। নিউট্রিশন রিলেটেড পড়াশোনা ভাল লাগত না। নিজের ইচ্ছা আর একাডেমিক মিল না হওয়াতে কোনো কিছুতেই মন বসাতে পারতাম না। যার ফলে ডিপ্রেশনটা ক্রমশঃ বেড়েই চলছিল
সবাই যখন ঘুমিয়ে যেত আমি হলের বারান্দায় মন খারাপ করে বসে থাকতাম,ভাবতাম এখানে আমি মানিয়ে উঠতে পারব না তারচেয়ে বাসায় গিয়ে কম্পিউটারের দোকান দেব,সারাদিন কম্পিউার নিয়ে বসে থাকব আর গান ডাউনলোড ,ফর্ম ফিলাপ করার মাধ্যমে দোকান চালাবো 😛
বৃহস্পতিবার কিংবা ছোট খাটো ছুটিতে সবাই বাড়ি যেত, কিন্তু আমি যেতাম না।প্রচুর রাত জাগতাম আর এশেজ এর গান শুনতাম। প্রায় দিনই ভোরে ঘুমাতে যেতাম।
এভাবে প্রথম সেমিস্টার পার হলো, ভাবলাম হয়ত ফেল করব। কিন্তু অবাক করে দিয়ে সব সাবজেক্টে পাস করে ফেললাম। যেখানে ভেবেছিলাম যে ফেল করব কোন একটা সাবজেক্টে, সেখানে সব বিষয়ে পাস করাটা অনেক বড় অর্জন মনে হলো।
তখন লাইফ সুন্দর করার জন্য মোটিভেশন খুজতাম। বেড আর দেয়ালের আশেপাশে অনেক মোটিভেশনাল লাইন লিখে রাখতাম। শুয়ে শুয়ে সেগুলো দেখতাম আর ভাবতাম কবে সকল ডিপ্রেশন দূর হবে। ভেবেই নিয়েছিলাম এই লাইফ আর চেঞ্জ হবেনা কখনো।
সেকেন্ড সেমিস্টারে বন্ধু হলো কিছু, সিদ্ধান্ত নিলাম ক্লাস মিস দিবোনা। পড়াশোনা ত এমনিও করিনা, কিন্তু ক্লাসে অন্তত প্রেজেন্ট থাকব। সব ফ্রেন্ডরা একসাথে ক্লাসে যেতাম। কিন্তু প্রত্যেকটা ক্লাসে ৫/৬ মিনিট লেট করে যাওয়া হতো। এক বন্ধুর নাম ত মিঃ লেটম্যান ই হয়ে গেল এই দেরি করার দরুন। আমরা ছিলাম ব্যাকবেঞ্চার। ক্লাস শেষে সবাই আড্ডা দিতাম, বিকেলে ঘুরতাম, রাতে কার্ড খেলতাম, কারেন্ট চলে গেলে ছাদে গিয়ে গান গাইতাম। লাইফটা তখন এনজয় করা শুরু করলাম। ভাবলাম লাইফ ত এই একটাই, যা পারি এনজয় করে নেই।
রাত ১/২ টায় ফ্রেন্ডদের সাইকেল নিয়ে গ্রুপ ভাবে বের হয়ে পরতাম, দূর দুরান্তে ঘুরে বেড়াতাম। রুমে এসে লাইট বন্ধ করে গান গাইতাম। তখন দেখলাম আমার সেই আগের ডিপ্রেশন টা ঠিক আগের মত নেই। সব কিছু হাল্কা লাগা শুরু হলো। এরপর পরীক্ষার সময় আসলো, পরীক্ষার আগের দিন থেকে সবাই খুব সিরিয়াস। রাত ২/৩/৪ টা পর্যন্ত পড়ত সবাই।
সেভাবে এক্সাম দিয়ে দেখলাম হুট করেই সেমিস্টারে প্রথম হয়ে গেলাম, সর্বোচ্চ জিপিএ পেয়ে গেলাম। খুবই অবাক, সবার মত আমিও ভাবলাম আসলেই কিভাবে রেজাল্ট এত ভাল হয়ে গেল! কেননা পরীক্ষার আগে ছাড়া আমার সাথে বই খাতার কোন সম্পর্ক ই থাকত না,যেই আমি কিনা প্রথম সেমিস্টারে টেনেটুনে পাশ সেই দ্বিতীয় সেমিস্টারে ৩.৭+ পেয়ে গেলাম!! তখন আসলে বুঝতে শুরু করলাম, লাইফটা এনজয় করতে হবে। যে জিনিসটা আমি পছন্দ করিনা সেটাতে আমি ভাল করবনা, তাই জীবনকে উপভোগ করতে হবে।
এরপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পঞ্চম-ষষ্ঠ আর সপ্তম-অষ্টম সেমিস্টারে ডিন’স মেরিট এওয়ার্ডও আমার হয়ে গেল, অনার্স এবং মাস্টার্স ভালভাবেই পার হয়ে গেলো। মাস্টার্স করার পাশাপাশি প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরি করা শুরু করলাম।সিজিপিএ ৩.৯০ নিয়ে মাস্টার্স শেষ হলো, ব্যাংকের চাকুরি ছেড়ে দিয়ে সরকারী চাকরির পড়াশোনা শুরু করলাম ২০২২ এ। ৬ মাস পর পরীক্ষা ছিল সমন্বিত ব্যাংকের, সেটায় টিকে গেলাম। এরপর সোনালী ব্যাংক এ সিনিয়র অফিসার হিসেবে জয়েন করলাম ২০২৪ এ, এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক এ সহকারী পরিচালক হিসেবে জয়েন করলাম ২০২৫ এ ।
নিজের এই খাদে পড়া লাইফ থেকে উঠে যে শিক্ষাটা পেলাম সেটা হচ্ছে :
> মনোবল দৃঢ় রাখতে হবে, ভাংবেন কিন্তু মচকাবেন না এমন।
> নিজের উপর আস্থা আর সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা অন্ধকার পথের একমাত্র আলো।
> জীবনটা উপভোগ করা জরুরি, মানুষ ক'দিন ই বা বাঁচে!
>ক্ষমা করতে শেখা,সবার আগে নিজেকে ক্ষমা করতে হয় সব কিছুর জন্য নিজেকে দোষ দিতে নেই।
>আপনার ইচ্ছা শক্তি থাকলে যে কোন প্রতিকূল অবস্থা ই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
>হারিয়ে যাবার অনেক কারন থাকতে পারে আর এই কারণগুলোকে অযুহাত বলে, অযুহাত অনেক থাকতে পারে কিন্তু নিজেকে প্রমান করার জন্য একাগ্রতা আর পরিশ্রম ই যথেষ্ট
> ডিপ্রেশনে থাকলে সেটা থেকে বের হওয়ার উপায় নিজেকেই ঠিক করতে হবে,এমন কিছু করুন যেটা আপনার মন ভাল রাখে হোক তা খেলাধুলা বা ঘোরাঘুরি বা কোন শখের কাজ।
> লাইফে কিছু ভাল বন্ধু জীবনের দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার গুলোর অন্যতম
> আড্ডা বা ঘোরাঘুরি এগুলা আসলে সময় নষ্ট নয় আপনার মেন্টাল হেলথ ফ্রেশ রাখার উপায়
> ব্যাস্ত সময় একটা ব্লেসিং। একাকিত্ব দূর করতে হবে,কারন অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা
> যেটা অর্জন করতে চান সেটার জন্য লেগে থাকতে হবে,পজিটিভ জেদ একটা যাদুর কাঠির মতন।
মোঃ খালেদ মাসুদ
সহকারী পরিচালক
বাংলাদেশ ব্যাংক
সাবেক সিনিয়র অফিসার
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
́n
19/04/2026
50তম বিসিএস : বাংলাদেশ বিষয়াবলি লিখিত প্রশ্ন
প্রায় 50% প্রশ্ন বাংলাদেশ & আন্তর্জাতিক মিক্সড ।
2, 5, টিকার খ, গ, ঘ ( মোট 55 মার্কস সরাসরি সংবিধান সম্পর্কিত) বাকি সকল প্রশ্নেও সংবিধানের অনুচ্ছেদ ব্যবহার করা যাবে ।
18/04/2026
আমার ভাইভা ছিল ৪ জানুয়ারি, ২০২৬। ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় কিছুটা চাপমুক্ত ছিলাম। বিসিএস ফরেন অ্যাফেয়ার্স আমার প্রথম পছন্দ হওয়ায় আগের বিসিএসগুলোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে ভাইভার জন্য প্রিপারেশন নিয়েছি। তাই সবমিলিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম।
আমার ভাইভার সময়কাল ছিল প্রায় ২০ মিনিট। পুরো ভাইভা ইংরেজিতে হয়েছিল। নিম্নে ভাইভা অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি—
বেল বাজতেই দরজা খুলে “May I come in, Sir?” বলে অনুমতি নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলাম এবং বিজ্ঞ স্যারদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করলাম।
বসার অনুমতি পাওয়ার পরে কোটের বোতাম খুলে সাবধানে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বসলাম।
Chairman Sir:
You are Mr. S.M. Nasir Uddin. Graduated from JnU in Pharmacy. Now working as a Senior Officer at Bangladesh Krishi Bank.
Myself: Yes, Sir. Then he referred the question to the 1st External.
1st External: Oh, I see you are also recommended in the 45th BCS Administration Cadre. Congratulations.
Myself: Thank you, Sir.(With a smiling face )
1st External: What is your first choice?
Myself: Sir, BCS Foreign Affairs.
1st External: Why is BCS Foreign Affairs your first choice?
Myself: I emphasized my interest in geopolitics, my long-cherished desire to represent my country on the world stage, promoting Bangladesh’s history and culture and building bridges between our culture and the global community, connecting with the Bangladeshi diaspora, and being part of the challenges Bangladesh will face after graduating from LDC status and beyond.
1st External: What extra effort have you given to be selected as a BCS Foreign Affairs Cadre?
Myself: Sir, as I mentioned before, I have a keen interest in geopolitics. That’s why I have been preparing myself for a long time to understand international politics and relations between nations. I am glad to inform you that I habitually read think tank websites and listen to podcasts regarding developing stories and in-depth analyses of contemporary global issues.
1st External: Mention some think tank websites you follow.
Myself: I follow Project Syndicate, Atlantic Council, Council on Foreign Relations, Russian International Affairs Council, Carnegie Endowment for International Peace, etc.
1st External: Think that you are a representative of Bangladesh to the WTO summit. How will you represent Bangladesh, and which topics will you highlight?
Myself: Sir, as a representative of Bangladesh to the WTO, I would highlight our strong economic growth, export competitiveness—especially in the RMG sector—and our commitment to fair, inclusive, and sustainable trade. I would emphasize the need for special support for LDC graduation, climate-vulnerable economies, and improved market access, while advocating for rules-based multilateralism and digital trade opportunities.
1st External: For any negotiation, how will you manage?
Myself: Sir, in this regard, I would always try to ensure my country’s interest first. If compromise is needed, I will make sure an equivalent benefit is achieved from my counterpart.
1st External: What is the Vienna Convention?
Myself: Sir, the Vienna Convention is a set of norms regarding diplomatic relations between countries.
1st External: In which year was it adopted?
Myself: Sir, in 1861.
1st External: No.
Myself: Sorry, Sir.In 1961.
1st External: Yes. Now tell me what are the benefits diplomats get according to the Vienna Convention?
Myself: I mentioned benefits like first-class citizen privileges in the receiving country, exemption from municipal taxes, security of residence, freedom of movement and communication, diplomatic immunity, etc.
1st External: In which case would a diplomat not get diplomatic immunity?
Myself: Sir, in incidents like espionage, a diplomat may be expelled. Although, according to the Vienna Convention, diplomatic immunity is not waived, the diplomat is banned from the host country.
Then the Chairman Sir started asking questions.
Chairman Sir: In which year did the First World War end?
Myself: Sir, in 1918.
Chairman Sir: What are the treaties signed to end the First World War?
Myself: I only mentioned the Treaty of Versailles with Germany.
Chairman Sir: Why did Russia leave the war, and with which treaty?
Myself: I couldn’t answer and apologized. (I couldn’t mention the internal revolution and the Treaty of Brest-Litovsk with Germany.)
Chairman Sir: When China–Taiwan tensions rise, why does Japan engage more with the USA?
Myself: Sir, there are some strategic reasons:
1.Security Issues: Japan engages closely with the USA’s Indo-Pacific strategy. It is also a member of QUAD. Any potential security threats in this region concern both countries, whose aim is to maintain peace and stability in the Indo-Pacific.
2.Trade-Related Aspects: The Taiwan Strait is a crucial sea route for trade and energy supply for Japan.
3.Balance of Power: Japan’s closer relations with the USA counterbalance China’s growing military and regional influence.
External 2: What is a floating rate?
Myself: A floating rate is an interest rate that changes over time based on a reference rate, instead of staying fixed.
External 2: What is the national budget of Bangladesh?
Myself: The national budget of Bangladesh for FY 2025–26 is approximately Tk 7.90 lakh crore.
External 2: Surplus or deficit budgets: which one is better for Bangladesh, and why?
Myself: For a developing economy like Bangladesh, a deficit budget is better because it stimulates the economy, creates jobs, and increases investment. Moreover, it allows funding for urgent social and infrastructure projects.
Chairman Sir: What are Bangladesh’s diplomatic successes and failures after the 1971 War of Independence?
Myself: I highlighted the following points:
Successes:
1.International recognition as a sovereign state by most UN member states.
2.Became a member of the United Nations (1974)
3.Strengthened ties with friendly countries for economic and security support.
4.Advocated successfully for repatriation of prisoners of war and war crimes accountability.
5.Joined the Commonwealth, NAM, SAARC, and other regional organizations, boosting international legitimacy.
Failures:
1.Difficulty in balancing relations between superpowers during the Cold War.
2.Delayed recognition by some major countries (e.g., USA, Saudi Arabia, China initially).
Chairman Sir: Ok, Mr. Nasir. Your viva is over. We wish you all the best. Please collect your papers.
Myself: Thank you, Sir. As-salamu Alaikum.
After collecting the papers, I conveyed my salam to the external examiners as well and left the board with a smile.
-
Note:
This is a brief recollection of my viva experience shared for the academic interest of future candidates. The questions and answers may not be reproduced verbatim as they are based on memory.
S. M. Nasir Uddin
Recommended for BCS Foreign Affairs (46th)
10/04/2026
#অনুপ্রেরণা
💥৪৬ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা💥
বোর্ড : ব্রি. জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল ইসলাম
সিরিয়াল : ১০
পছন্দ : Foreign Affairs
সময় : ২৫-২৬ মিনিট
জীবনের সবচেয়ে লম্বা ভাইভা ছিল এটা। এত বেশি প্রশ্ন আর এত দীর্ঘ সময় অন্য কোনো ভাইভাতে থাকিনি।
অনুমতি নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে সালাম দিতেই -
👉Chairman : You look very familiar to me. It feels like I've met you before.
- Probably sir the shape of my face & skin colour is kind of common in Bangladesh. That's why I seem familiar to you. (উত্তর শুনে স্যার হেসে দিছে)
👉Chairman: Mr. Khairul you are already recommended to Administration?
- Yes sir, Alhamdulillah.
👉External 1 : Administration is a very good cadre!
- Yes sir.
👉External 2 : এখন আপনার চয়েস কি ফরেইন?
- হ্যাঁ স্যার।
👉Chairman : আপনাকে ফরেইনে রিকমেন্ড করলে তো দেশের ক্ষতি হবে। একটা সিট নষ্ট হবে। এরচেয়ে বরং আপনি এডমিনেই থাকেন। ফরেইনে অন্য কাউকে রিকমেন্ড করা হোক।
- স্যার বিষয়টা উল্টোও হতে পারে। আমাকে ফরেইনে না নিলে উল্টো দেশের ক্ষতিও হতে পারে৷ দেখা গেল আমি ফরেইনে গেলে দেশকে যতটা দিতে পারতাম, তা হয়তো অন্য যাকে রিকমেন্ড করা হবে, সে দিতে পারবে না৷
👉Chairman : Well well that's good spirit. Let me see what you got.
- Sure sir.
👉Chairman : বলেন আপনাকে কেন ফরেইনে নেয়া উচিত? বইয়ের কথা বলবেন না যে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন, এনালিটিক্যাল এবিলিটি ইত্যাদি। জেনুইন কোনো রিজন দেখান।
- স্যার আমি মনে করি...
👉Chairman : আমি বাংলাতে প্রশ্ন করলেও আপনাকে ইংরেজিতেই উত্তর দিতে হবে। যেহেতু আপনার চয়েস ফরেইনে যাওয়া।
- Sure sir. I think the most important quality that a diplomat might posses is the ability to tackle unprecedented situations. And from the experience of my whole academic life, i think I'm ready-witted. So I'll be able to better handle the volatile...
👉Chairman : ঠিকাছে বুঝলাম। বলেন তো... (কোনো একটা টার্ম যার নাম জীবনে শুনি নাই। দুইবার বলার পরেও বুঝতে পারি নাই)
- sorry sir I'm not familiar with this term.
👉Chairman : No problem. বলেন ভেনেজুয়েলাতে যুক্তরাষ্ট্র যা করলো তাকে একজন কূটনীতিক হিসেবে কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
- Sir this is a blatant violation of international laws...
👉Chairman : না না, আমি ব্যাখ্যা চাচ্ছি না৷ আপনি বলেন আপনি কূটনীতিক হিসেবে এটার বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবেন কি-না।
- Sir I think as a representative of the People’s Republic of Bangladesh, we can't take any step except urging for maintenance of peace. Because we have our economic interests to preserve.
👉External 1 :
How do you define the US action in Venezuela? Power politics or democracy?
- Sir, in my opinion the recent US aggression in Venezuela is the last pin in the coffin of international law. In the name of democracy...
👉Tell me whether it's power politics or USA have the right to do it?
- Sir this is undoubtedly power politics. Even one of Trump's officials said in an interview that USA is a superpower & therefore it should act like a superpower.
👉ইরানে কিছুদিন আগে হামলা করলো৷ এটাতো আমাদের জন্যও কনসার্ন। আপনার কি মনে হয়, বাংলাদেশের কেমন ফরেন পলিসি নেয়া উচিত?
- স্যার আমার মনে হয় জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে..
না না, আপনি বলেন ইরানের মতো নাকি যুক্তরাষ্ট্রের মতো?
- স্যার দুই দেশের কারোর মতোই না৷ বরং জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে, ইকুইটি, সার্বভৌমত্ব এবং দেশের মর্যাদা বজায় রেখে পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করা উচিত।
👉Again Chairman sir
আমাদের ফরেন পলিসি কী? মানে দীর্ঘদিন যাবত যে একটা টার্ম চর্চা হয়ে আসছে?
- Sir Friendship to all & malice towards none.
👉আপনার কী মনে হয়? এটা কতটা উপযুক্ত পলিসি?
- Sir I think this cannot be any independent nation's foreign policy. Because no one can be a friend to all. We must serve our national interest & if that requires us to be somebody's enemy, then we should let it be so.
Exactly. That should be an independent nation's foreign policy.
এই বলে দ্বিতীয় এক্সটার্নালকে ফ্লোর দিলেন।
👉External 2 :
What is BISL? ( এমনই কিছু একটা জিজ্ঞেস করছে)
- Sorry sir. I don't know the full form.
👉আমরা এখন অনেক যায়গাতেই শুনি যে soft power, hard power, smart power। এগুলো একটু ব্যাখ্যা করেন তো।
- Answered.
👉What's false flag operation & tell me a few false flag operations from WW| & WW||?
- Answered. But couldn’t give examples.
👉এক্সটার্নাল ঠিকাছে বলে চেয়ারম্যানের দিকে তাকিয়ে সমাপ্তি সূচক মাথা নাড়াল।
👉Chairman : No. I want to ask more.
- sure sir.
👉Chairman : স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছর পরে এসে যদি আমরা দেখি একটু যে ইন্ডিয়ার সাথে আমাদের এতগুলো চুক্তি হলো। আপনি একটা চুক্তির নাম বলেন তো যেখানে বাংলাদেশ better-off ছিল।
- Sir, to be honest it will be even hard to find an agreement where we had a win-win situation. So looking for better-off is like crying in the wilderness sir.
👉Chairman : Exactly. তাহলে আমাদের সো-কল্ড ফ্রেন্ড কিভাবে হলো তারা? আর এত বছর যাবত কিভাবে ফ্রেন্ড হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আসলো? কেউ কিভাবে find out করতে পারলো না যে তারা আমাদেরকে শোষণ করে যাচ্ছে?
- স্যার আমার কাছে মনে হয়না বিষয়টা এমন যে কেউ বুঝতে পারেনি। অনেকই বা সবাই বুঝতে পেরেছে৷ কেউ স্বার্থের জন্য চুপ থেকেছে। কেউ ক্ষমতার জন্য। কেউ কেউ আওয়াজ তুলে গুম হয়েছে। আর বাকিরা স্যার ভয়ে চুপচাপ থেকেছে।
(স্যারের সাথে সাথে উত্তেজনায় বাংলায় বলে ফেলছি। তবে উত্তর শুনে স্যারকে হ্যাপি মনে হয়েছে)
(ইন্ডিয়া নিয়ে আরও কিছু প্রশ্ন এবং আলোচনা ছিল৷ সবগুলো উল্লেখ করতে পারছি না৷)
👉External 1 : আচ্ছা একটা বিষয় বলেন তো। নেপাল একটা ছোট্ট দেশ। তারাও একসময় ইন্ডিয়ার প্রাভাবাধীন ছিল। কিন্তু তারা বেশ আগেই এ প্রভাব থেকে বেরিয়ে গিয়েছে৷ আমরা কেন পারছি না?
- স্যার আমার কাছে মনে হয় আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা National Unity এর অভাব। আমাদের সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে পররাষ্ট্রনীতি, এমনকি দেশের ফান্ডামেন্টাল যে building block থাকে, তাও পরিবর্তন হয়ে যায়। আমরা যদি পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ঐকমত্যে আসতে না পারি, তাহলে এই বশ্যতা থেকে বের হতে পারবো না।
👉আপনার কী মনে হয়? কিভাবে ঐকমত্যে আসতে পারব?
- স্যার আমি বিশ্বাস করি যখন প্রতিটা দল ফরেন পলিসি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেবল একটা বিষয়কেই প্রাধান্য দিবে, অন্য কোনো সেকেন্ড রিজনকে কন্সিডার করবে না, তখনই আমাদের ফরেন পলিসি স্বাধীন হবে। আর সেটা হচ্ছে National interest.
👉এক্সটার্নাল স্যার চেয়ারম্যান স্যারের দিকে তাকিয়ে সমাপ্তিসূতক মাথা ইশারা দিল৷
👉Chairman : I'm not convinced yet. আচ্ছা বলেন..
- Sure sir. (😑😑)
👉Chairman : Vienna Convention সম্পর্কে তো জানেন?
- Yes sir.
👉Chairman : এটার কিছু ধারা বলেন তো৷
- ৯,৩১,৪১ কোট করতে পেরেছি সরাসরি। বাকি সামাজিক আলোচনা করেছি যে এই অধিকার, সেই অধিকার।
Again External 1 Strikes : আপনারা তো সরাসরি কিছু বলতে পারেন না। ওদের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেন না। কেউ বাংলাদেশকে exploit করলেও পররাষ্ট্রের লোকজন যথাযথ জবাব দিতে জানে না।
- স্যার আমি অবশ্যই দেশের স্বার্থে যে কারও সামনে দাঁড়িয়ে যেতে পারব ইনশা আল্লাহ।
👉External 2: স্যার আমিও বেশ কিছু Multinational অনুষ্ঠানে দেখেছি যে আমাদের যারা আছেন, তারা কিছু বলতে গেলে কেমন যেন কাচুমাচু করেন, হাত মোচড়ামুচড়ি করেন।
👉Chairman : Those diplomats of ours can not defend a thing. They cannot stand with their backbone erected for their national interest. (মনে হলো স্যার খুব ক্ষোভ নিয়ে বললো)
- Sir, I have the courage to always stand firm for my national interest.
👉Chairman : সবাই তো বলে। কিভাবে বুঝবো যে আপনি মেরুদণ্ড সোজা রাখবেন?
- স্যারের পার্মিশন নিয়ে একটা বাস্তব জীবনের এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করলাম। বোর্ডকে কনভিন্সড মনে হলো।
👉External 1, External 2 : শেষ করার জন্য চেয়ারম্যানের দিকে তাকালো৷
👉Chairman : হাসি দিয়ে বললো আপনি কি কনভিন্স করতে পেরেছেন?
- Sir you can ask more questions if you still think that I'm not fit for the job.
এ পর্যায়ে সবাই হেসে দিলো।
👉Chairman : Full confidence দেখছি।
- I smiled
👉এরপরে ডকুমেন্টস নিয়ে আসতে বললো।
উঠে ডকুমেন্টস নিয়ে বের হব এমন মুহূর্তে আবার -
👉External 1: Your confidence is good. Your English speaking is also good. আজকে যা যা বললেন, আশা করি সেভাবে দেশকে সার্ভ করতে পারবেন। I hope I will meet you again. দেখা গেল ৫/৬ বছর পরে দেশে বিদেশে কোনো ইভেন্টে দেখা হয়ে যেতে পারে৷
👉Chairman: আপনি ওদের মুখের উপর বলে দিবেন। চোখে চোখ রেখে দেশের জন্য কথা বলবেন। কখনও ভয় পাবেন না।
- ইনশা আল্লাহ স্যার।
✅আরও বেশ অনেকগুলো প্রশ্ন ছিল এনালিটিক্যাল, সিচুয়েশনাল। সবগুলো মনে পড়ছে না। চেয়ারম্যান স্যার একাই প্রায় দুই ডজন প্রশ্ন করছে।
* আগে থেকেই কনফিডেন্টলি ভুলভাল উত্তর দেবার একটা জোশ ছিল আমার৷ তার উপর এবার হারানোর কিছু ছিল না, তাই পুরো ভাইভাতে নার্ভ কন্ট্রোল করা বেশ সহজ ছিল। কনফিডেন্ট ছিলাম।
* এক্সটার্নাল ১ ফিমেল ছিলেন৷ অভ্যাসবশত প্রথমে ম্যাম বলে ফেলছিলাম।
* বোর্ড অনেক ফ্রেন্ডলি ছিলো।
সংগৃহীত
04/03/2026
সদ্য গ্র্যাজুয়েট করা রাবি, জগন্নাথ, বুয়েট এবং লন্ডন ইউনিভার্সিটির একঝাঁক তরুণের উদ্যমী উদ্যোগে তৈরি হয়েছে Sarangsho অ্যাপ।
চাকরি প্রত্যাশীদের জন্যে পত্রিকা ও সাম্প্রতিক পড়ার ঝামেলাকে করেছে সহজ ও সংগঠিত। গুরুত্বপূর্ণ নিউজ, সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ এবং সাধারণ জ্ঞান—সব একসাথে, এক প্ল্যাটফর্মে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি হবে আপনার নির্ভরযোগ্য সহায়ক।
ব্যবহারকারীর জন্যে অ্যাপটি শুধু উপকারী নয়, বরং স্মার্ট ও সময়োপযোগী সমাধান। আমার কাছে দারুণ লেগেছে, আপনারও একবার দেখে নেওয়া উচিত।
Apps-টি Play store থেকে সহজেই Download করে নিতে পারেন।
লিংক কমেন্ট বক্স এ
03/03/2026
অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান।
সংশ্লিষ্ট সকল কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
এই স্টাডি কর্ণারকে প্রাণবন্ত রাখার দ্বায়িত্ব আমাদের সবার!!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Barisal