Mohammad Sajib Howlader
18/04/2026
জিন্দা থাকলে নিন্দা হবে..
হাঁসি মুখে মেনে নিতে হবে..🌼
শক্তি সাহস দৃড়তা তুমি আপোষহীন এক নাম, তোমার জন্য কাঁদছে বাঙালি কাঁদছে এ রূদয় ।
অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা...
অসীম মহাকালের অন্তে...
হাদি ভাই আজীবন আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন, 😢
কীর্তিমানের মৃত্যু নেই।
হাদি ভাই বেঁচে থাকবেন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মাঝে এক এক জন হাদি হয়ে, রয়ে যাবে অনন্ত কাল 💔
তোমার অপেক্ষায় প্রিয় জন্মভূমি 🌾
প্রিয় বাংলাদেশ ❣️
16/04/2025
#ইতিহাসের নির্মম চিত্র!!
বেইমান মুনাফিককে আল্লাহতালা তওবা করার ও সুযোগ দেয় না। কারণ শয়তান জানে কোন দোয়া পড়লে তার সকল গুনাহ মাফ হয়ে যাবে, কিন্তু আল্লাহ তাআলা ভুলিয়ে দেবে সে পড়তে পারবে না।
সাল টা ১৯৬৯ তোফায়েল আহমেদ তখন ডাকসুর ভিপি। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থা কি হবে এই বিষয়টি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী জনপ্রিয় ইসলামী ছাত্র নেতা শহীদ আব্দুল মালেক ইসলামী শিক্ষা ব্যাবস্থার পক্ষে বক্তব্য দেন। উক্ত সেমিনারের অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের করতালির মাধ্যমে শহীদ আব্দুল মালেকের বক্তব্যকে সমর্থন করে। উক্ত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন ইসলাম বিদ্বেষী তৎকালীন ছাত্রলীগ, বাম সংগঠনের নেতারা।তারা ইসলামী শিক্ষা ব্যাবস্থার বিপক্ষে বক্তব্য রাখেন। তাদের দুর্বল যুক্তি মালেকের যুক্তির কাছে হেরে যায়। তখন তারা নতুন ফন্দি আটল।১২ আগস্ট ১৯৬৯ সালে তারা শিক্ষা ব্যবস্থার উপর আরেকটা সেমিনারের আয়োজন করে। উক্ত সেমিনারে আবার পক্ষে-বিপক্ষে মতামত উপস্থাপন করা হয়। শহিদ আব্দুল মালেকের যুক্তির কাছে আবার ইসলাম বিদ্বেষী রা হেরে যায়।তারা তখন মারাত্মক চক্রান্ত করে। শহিদ আব্দুল মালেক যখন সেমিনার শেষ করে বের হন। তখন তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী শহিদ আব্দুল মালেকের উপর আক্রমণ করে। তারা শহীদ আব্দুল মালেককে লাঠি,হটিস্টিক, এবং ইট দিয়ে তার মাথা থ্যাথলিয়ে দেয়। তারা তার মাথায় আঘাত করে আর বলে যে তোর মাথায় এত যুক্তি কোথায় থেকে আসে। তারপর তারা শহীদ আব্দুল মালেককে মৃত ভেবে রেখে চলে যায়। তখন তার অন্য সাথীরা এ খবর শুনে দৌড়ে আসে।তাকে তাৎক্ষণিক ভাবে হসপিটাল নেওয়া হয়। ডাঃ তাকে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেন। সেখানে শহীদ আব্দুল মালেক ১৫ ই আগস্ট ১৯৬৯ সালে মৃত্যুবরণ করে। তারা শহীদ মালেককে শেষ করার মাধ্যমে ইসলামকে ইসলামী শিক্ষা ব্যাবস্থা কে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। এমন হাজারো মালেকের হত্যার পেছনে লুকিয়ে ছিলেন তোফায়েল আহমেদের মত সন্ত্রাসীরা।
মালেক ইসলামী শিক্ষা ব্যাবস্থার জন্য শহীদ হয়েছে। মালেকের উত্তরসূরী রা জীবন দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে সম্মানিত মৃত্যু দান করেছেন। কিন্তু আজ সেই সব নেতাদের কি খবর? যারা শতশত নিরপরাধ মানুষকে হত্যা,জুলুম, নির্যাতন চালিয়েছেন তাদের। আজ কারও দেশ ছেড়ে পালানো লাগে, কেউ জেলে, কেউ হসপিটালে, কেউ বা জমদুত এর জন্য প্রহর গুনছেন। আমাদের ভোলার সন্তান জনাব তোফায়েল আহমেদ এর বর্তমান অবস্থা। তিনি অনেক টাকা জমিয়েছেন। চিন্তা করুন সে প্রকৃত পক্ষে নিজের জন্য কি জমিয়েছেন? শত শত শহিদের মায়েদের চৌখের পানি জড়িয়েছেন তোফায়েল আহমেদ। তারা কি তাকে মাফ করবেন? আজ মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। আজ কত অসহায়! যার দাপটে মানুষ তার নিজের বাড়িতে ঘুমাতে পারতো না। যার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকতো। আজ কোথায় সে দাপট, অহংকার, শক্তি।
আমাদের তার এই বাস্তব জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। আপনি যে দলের,যে মতের হন না কেন,অন্য মতের মানুষকে কখনো অন্যায়ভাবে হয়রানি করা উচিত হবে না।
আমাদের রাজনীতি হওয়া দরকার মানুষের কল্যাণে।
যাতে করে মানুষ মৃত্যুবরণ করার পর দোয়া করে।
পরিশেষে....
যখন তুমি এসেছিলে ভবে
কেঁদে ছিলে তুমি
হেঁসে ছিল সবে।
এমন জীবন তুমি করিও গঠন
মরিলে হাসিবে তুমি
কাধিবে ভূবন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Barishal