Current WORLD
10/05/2014
৬০ কোটি ভারতীয় খোলা জায়গায় মলত্যাগ করে..........
জাতিসংঘের এক রিপোর্টে বলা হচ্ছে, বিশ্বে একশো কোটি মানুষ এখনো খোলা জায়গায় মলত্যাগ করে এবং এর ফলে কলেরা, ডায়ারিয়া এবং হেপাটাইটিসের মতো মারাত্মক রোগ-ব্যাধির বিস্তার ঘটছে।
জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের রিপোর্টে বলেছে, খোলা জায়গায় মলত্যাগের অভ্যাস সবচেয়ে বেশি ভারতে। দেশটির ষাট কোটির বেশি মানুষ উন্মুক্ত জায়গায় মলত্যাগ করে। ভারত সরকার স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা তৈরির জন্য শত শত কোটি ডলার ব্যয় করেও পরিস্থিতি খুব বেশি বদলাতে পারেনি।
অন্যদিকে বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনাম যেভাবে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের অভ্যাস প্রায় দূর করতে সক্ষম হয়েছে, জাতিসংঘ তার প্রশংসা করেছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, নব্বুইয়ের দশকে যেখানে এই দুটি দেশে প্রতি তিন জনের একজন খোলা জায়গায় মলত্যাগ করতো, ২০১২ সালে এসে সেই অভ্যেস প্রায় নেই বললেই চলে।
স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা তৈরি করে খোলা জায়গায় মলত্যাগের অভ্যেস বন্ধের জন্য শত শত কোটি ডলার খরচ করা হলেও এই অর্থ কার্যত নর্দমায় গেছে বলে মন্তব্য করা হয় জাতিসংঘ রিপোর্টে।
রিপোর্টে এক্ষেত্রে সবচেয় কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে ভারতের।
ইউনিসেফের একজন বিশেষজ্ঞ রলফ লায়েনডিক বলেছেন, স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট সুবিধা তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের কৌশল যেখানে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে, এর বিপরীতে প্রতিবেশী ভারতের কৌশল ছিল খুবই দুর্বল।
তিনি বলেন, দরিদ্রদের কাছে স্যানিটেশন সুবিধা পৌঁছে দেয়ার জন্য ভারত সরকার শত শত কোটি ডলার খরচ করেছে এটা সত্য। কিন্তু এই অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে দেয়ার পর বিভিন্ন রাজ্যে তা ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যয় করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই অর্থ আর দরিদ্র জনগোষ্ঠী পর্যন্ত পৌঁছায়নি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জনস্বাস্থ্য বিষয়ক পরিচালক মারিয়া নিরা বলেন, “ভারতের যে ছবিটা দেখে সবাই ধাক্কা খান তা হলো একটা লোক এক হাতে মোবাইল ফোন নিয়ে খোলা জায়গায় মলত্যাগ করছেন।”
ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়, সাব সাহারান আফ্রিকার ২৬ টি দেশেও এখনো খোলা জায়গায় মলত্যাগের অভ্যাস বাড়ছে। সেখানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নাইজেরিয়ার। দেশটির প্রায় চার কোটি মানুষ এখনো উন্মুক্ত জায়গায় মলত্যাগ করে।– বিবিসি।
01/05/2014
জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে কফিনগুলি। ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে কাঠের পাটাতন, পানির কলস, ভাঙাচোরা বাসনপত্র। অথচ প্রায় অক্ষত রয়ে গেছে কফিনগুলিতে শায়িত ৫০টি মমি! কায়রোর দক্ষিণে ‘কিং অব ভ্যালি’-র কাছে সন্ধান মিলল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্দশ শতকের এ রকমই এক সমাধিক্ষেত্রের।
বাসেল ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ববিদদের দাবি, অষ্টাদশ ফারাও সাম্রাজ্যের রাজা, রানি ও তাদের পরিবারের অন্য সদস্যদের সমাহিত করা হয় এখানেই। এর পর খ্রিস্টপূর্ব উনবিংশ শতকের শেষে এই সমাধিক্ষেত্রে লুটপাট করে আগুন লাগিয়ে দেয় সেখানে চোরেরা।
ফারাও রাজত্বের কনিষ্ঠতম শাসক তুতানখামেনের মৃত্যু ঘিরে গত তিন বছর ধরে লুক্সর শহরের এই ‘কিং অব ভ্যালি’-তেই গবেষণা চালাচ্ছেন প্রত্নতত্ত্ববিদেরা। সেই সূত্রেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় চলছে খননকাজ। সম্প্রতি মাটি থেকে ছয় মিটার গভীরে এই সমাধিক্ষেত্রটি চোখে পড়ে তাদের। ২০ ফুট জুড়ে এই সমাধিক্ষেত্রে আড়াআড়ি ভাবে ছিল ৫০টি সমাধি।
সমাধিগুলির পাশে নাম খোদাই করা কাঠের পাটাতনগুলিও প্রায় অক্ষতই রয়েছে। তার থেকেই প্রায় ৩০ জনের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।
পাটাতনে খোদাই করা হিয়েরোগ্লিফিক্স থেকেই জানা গেছে, এখানেই সমাহিত করা হয়েছিল ফারাও তুতমোসিস চতুর্থ ও আমেনহোতেপ তৃতীয়কে। সমাধিক্ষেত্রে সন্ধান মিলেছে সদ্যোজাত কিছু শিশুর মমিরও।
গবেষকদের দাবি, এখানেই সমাহিত করা হয়েছিল অষ্টাদশ ফারাও সাম্রাজ্যের অন্তত চার রাজা, নয় যুবরাণীকে। সন্ধান মিলেছে কিছু বিদেশীর মমিরও। মমিগুলির পাশে প্যাপিরাস কাগজের মণ্ড, ছেঁড়া পোশাক ইত্যাদি পাওয়া যায়।
গবেষকরা আরো বলেন, খ্রিস্টপূর্ব চতুর্দশ শতকের আগেও হয়তো ব্যবহার করা হতো সমাধিক্ষেত্রটি। উদ্ধার হওয়া ছোট ধাতব কলস ইত্যাদি থেকে অনুমান করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব নবম শতকেও ‘কিং অব ভ্যালি’-তে সমাহিত হত কফিন। এখানে উদ্ধার হওয়া কফিনগুলির বেশ কয়েকটির গায়ে ‘প্রিন্স’ এবং ‘প্রিন্সেস’ শব্দ খোদাই করা রয়েছে। তবে দুই তৃতীয়াংশ কফিনের গায়েই তেমন কিছু খোদাই করা নেই।
সমাধিক্ষেত্রের একদম মাঝখানে রয়েছে একটি ঘর। তিন দিকে আরো তিনটি। কিছুটা দূরে আরও একটি। সব মিলিয়ে ভূগর্ভস্থ মোট পাঁচটি ঘরের সন্ধান মিলেছে। মাঝখানে রয়েছে যাতায়াতের পথও।
অষ্টাদশ ফারাও রাজাদের এই সমাধিক্ষেত্রটি মিশরের ইতিহাসে নতুন কোনও অধ্যায়ের সূচনা করবে বলেই দাবি প্রত্নতত্ত্ববিদদের।
মিশর বিশেষজ্ঞ সুজানে বাইকেল বললেন, “আশা করি, এ বার হয়তো জানা যাবে প্রাচীন মিশরে মানুষের জীবনযাত্রা ঠিক কেমন ছিল।” সূত্র: মেইল অনলাইন
30/04/2014
ঘেরাও হচ্ছে রাশিয়া, রোমানিয়ায় কানাডার জঙ্গি বিমান.......
পূর্ব ইউরোপের দেশ রোমানিয়ায় ছয়টি জঙ্গিবিমান পাঠিয়েছে কানাডা। পূর্ব ও মধ্য ইউরোপে ন্যাটো যে সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সদস্য হিসেবে কানাডা জঙ্গিবিমান পাঠিয়ে তাতে অবদান রাখলো।
ইউক্রেন নিয়ে আমেরিকা ও ন্যাটো জোটের সঙ্গে রাশিয়ার যখন তীব্র টানাপড়েন চলছে তখন এ পদক্ষেপ নিল কানাডা।
কানাডার কুইবেক বাগোতভিল বিমান ঘাঁটি থেকে এসব বিমান এনে মঙ্গলবার রোমানিয়ায় মোতায়েন করা হয়। বিমান উড্ডয়নের সময় সেখানে উপস্থিতি ছিলেন কানাডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রব নিকোলসন। তিনি পাইলট ও সহকারীদের বলেন, ইউক্রেন সংকটের কারণেই তাদেরকে রোমানিয়ায় পাঠানো হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, “পূর্ব ও মধ্য ইউরোপে ন্যাটো জোট যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে শিগগির আপনারা আমাদের মিত্রদের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাতে অবদান রাখবেন। ইউক্রেন সংকটের সমাধান ও দেশটির জনগণের মধ্যে যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে তা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় সমর্থন দেয়া হবে একটি মৌলিক কাজ।
এদিকে, ডেনমার্কও ওই এলাকায় চারটি জঙ্গিবিমান পাঠিয়েছে। ফ্রান্স এবং বৃটেন পাঠিয়েছে আটটি জঙ্গি বিমান।
পশ্চিমাদের এসব তৎপরতায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শইগু উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, রুশ সীমান্তে আমেরিকা ও তার মিত্ররা অসম সামরিক তৎপরতা শুরু করেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
80070